প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান খান চৌধুরী বলেন, স্বাস্থ্যবান জাতি গঠনে দরকার পুষ্টি। পুষ্টির ভিত্তি হলো দুধ। দুধ উৎপাদনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন খামারিরা। আজ তাদের সম্মানিত করে আমরা নিজেরাই সম্মানিতবোধ করছি।
তিনি আরও বলেন, ডেইরি হাবের ধারণাটি প্রাণ-ই দেশে প্রথম প্রতিষ্ঠা করে। প্রাণ এর ডেইরি হাব স্থাপনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরাসরি খামারিদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহ করা, যাতে তারা ন্যায্যমূল্য পায় এবং দুগ্ধশিল্পে দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা। প্রাণ খামারিদের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সহায়তা দিয়ে গাভি পালনের জন্য উৎসাহ প্রদান করে, যা দেশে দুধের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রাণ ডেইরি কমপ্লেক্সে ১৫ জন সেরা খামারির হাতে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু। বক্তব্য রাখেন শাহজাদপুরের উপজেলা চেয়ারম্যান প্রফেসর আজাদ রহমান, শাহজাদপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. শামসুজ্জোহা, শাহজাদপুর পৌরসভার মেয়র আব্দুর রাজ্জাক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগের উপপরিচালক ডা. আবু সৈয়দ মো. নাসির উদ্দিন খান, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান ভূঁইয়া ও প্রাণ ডেইরি’র নির্বাহী পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান।
সেরা খামারির পুরস্কার পেয়েছেন মো. মাহতাব আলী, ইসলাম আলী, মো. আব্দুর রশিদ, মো. রেজাউল করিম, মো. রুবেল হোসেন, মো. শামসুল, মো. আকবর আলী, মো. মনিরুল ইসলাম আলাল, মনোরঞ্জন রায়, মোছা. মিনা আক্তার, মো. হান্নান প্রামাণিক, মধুসূদন ঘোষ, মো. টুটুল প্রামাণিক, মো. উকিল হোসেন ও মো. মতিন সরকার।
পাবনার চাটমোহর, নাটোরের গুরুদাসপুর, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর ও বাঘাবাড়ি এবং রংপুরে প্রাণ এর ডেইরির মোট পাঁচটি হাব রয়েছে। এসব হাবের অধীনে ১০১টি দুগ্ধ সংগ্রহ ও শীতলীকরণ কেন্দ্র রয়েছে। দুগ্ধ সংগ্রহ ও শীতলীকরণ কেন্দ্রে খামারিরা সরাসরি দুধ সরবরাহ করেন। প্রাণ ডেইরির বর্তমানে ১২ হাজার চুক্তিভিত্তিক চাষি রয়েছে যারা গরু পালন করেন। এসব চাষির অধীনে ৫০ হাজার গরু রয়েছে। দুগ্ধ খামার করে এসব খামারি নিজেদের ভাগ্য ফিরিয়ে এনেছেন।
ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এমএএস/এমএস