দেশজুড়ে

হু হু করে বাড়ছে নিত্য পণ্যের দাম

করোনা ভাইরাসের কারণে গাইবান্ধার কাঁচাবাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম দিগুন থেকে তিনগুণ বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মরিচ, পেঁয়াজ, রসুনের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে ৩০ থেকে ৯০ টাকা।

প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে সব দোকানের চার্টে দাম নির্ধারণের নির্দেশ দিলেও সাধারণ মানুষের অভিযোগ, প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ না নেয়ার এমনটি হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া বাজারের কাঁচামালের আড়তে বিভিন্ন এলাকা থেকে আশা খুচরা বিক্রেতারা ভিড় করছেন। অনেকেই আবার ঝগড়া করছেন কেন দাম বেশি নেয়া হচ্ছে। আড়ত মালিকরা কোনো কথাই শুনছেন না। তারা সিন্ডিকেট করে কোনো কারণ ছাড়াই পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, আলুসহ সব পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন।

দ্রব্যমূল্যের এ ঊর্ধ্বগতিতে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ। তাদের আশঙ্কা এভাবে দাম বাড়তে থাকলে খেটে খাওয়া মানুষদের অনাহারে মরতে হবে।

আব্দুল মালেক নামে এক শ্রমিক জানান, গতকাল আলুর দাম ছিল ১২ টাকা কেজি। আর আজ (শুক্রবার) ২০ টাকা কেজি। আলু তো এলাকার ফসল, আলুর দাম বাড়ে কিভাবে?

নাজমুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রতি মণ পেঁয়াজে ১২শ টাকা বেশি দিতে হয়েছে। এই পেঁয়াজ খুচরা বাজারে ব্যবস্যায়ীরা কেজিতে আরও ৩০ টাকা বেশি দরে বিক্রি করছেন।

বোনারপাড়া বাজারের খুচরা বিক্রেতা বাবু মিয়া জানান, পাইকাররা বেশি দাম নিচ্ছেন, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

পাইকার ব্যবসায়ী আবুল কালাম জানান, বগুড়া থেকে বেশি দামে কেনার কারণেই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর জানান, কোনো ব্যবসায়ীর সিন্ডিকেট করার কোনো সুযোগ নেই। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে সব দোকানে দ্রব্যমূল্যের দাম নির্ধারণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জাহিদ খন্দকার/এফএ/এমএস