করোনাভাইরাসকে পুঁজি করে বেশি দামে চাল বিক্রির প্রচেষ্টাকে কঠোরভাবে দমনে নোয়াখালীর প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র চৌমুহনীতে অসাধু ব্যবসায়ীদের জরিমানা করেছেন জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ র্যাব-১১ এর যৌথ ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার সন্ধ্যা হতে রাত ৯টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোকনুজ্জামান খান ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের জেলা কর্মকর্তা কাউছার মিয়া এবং র্যাব-১১ এর লক্ষ্মীপুর কোম্পানি কমান্ডার এএসপি আবু ছালেহ আহমেদের নেতৃত্বে যৌথ অভিযানে অধিক মূল্যে চাল বিক্রি ও মজুত রাখার অপরাধে ৪টি পাইকারি দোকানকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া একটি ওষুধের দোকানে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ টিম উপস্থিত থেকে সর্বসাধারণকে সঠিক মূল্যে মাস্ক কিনতে সহযোগিতা করেছেন।
সোনাইমুড়ীতে করোনাভাইরাসের কারণ দেখিয়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির গুজব চালিয়ে বেশি দামে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি ও দ্রব্যমূল্যের তালিকা না থাকায় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে নগদ অর্থ জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নোয়াখালী জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোকনুজ্জামান খান জানান, গত কয়েকদিন ধরে এ অভিযান চলছে, আগামীতেও এই অভিযান পরিচালিত হবে। এ বিষয়ে সরকারের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। করোনাভাইরাসসহ বিভিন্ন ইস্যুকে পুঁজি করে কেউ যাতে দ্রব্যমূল্যের অতিরিক্ত দাম নিতে না পারে। এ ধরনের কোনো অসাধু ব্যবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না।
শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার সোনাইমুড়ী বাজার, আমিশাপাড়া বাজার ও জয়াগসহ বিভিন্ন বাজারে উপজলো নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট টিনা পাল অভিযান চালিয়ে ১৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেন।
এসময় উপজেলা সহকারী কমশিনার (ভূমি) অংগ্যজাই মারমা ও সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে দেখে দ্রুত দ্রব্যমূল্যের তালিকা পরিবর্তন ও তৎক্ষণাৎ দ্রব্যমূল্যের সরকার নির্ধারিত রেট করে দেওয়ায় ক্রেতারা নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কেনার জন্য ভিড় জমায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট টিনা পাল জানান, বেশি দামে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করায় এ তদারকি কার্যক্রম পরচিালনা করা হয়ছে। জনস্বার্থে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
তিনি আরো বলেন, ক্রেতাকে দুই কেজির বেশি কোনো পণ্য যেন না দেয়া হয়।
মিজানুর রহমান/এসএইচএস/পিআর