লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল সরকারি পুকুর থেকে বালু উত্তোলন করে ডোবা ভরাট করছেন। এডিপিতে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া ডোবা ভরাট করতে অন্যস্থান থেকে বালু না কিনে সরকারি পুকুর ব্যবহার করা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল মোমিন বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ দিলেও কর্ণপাত করছেন না চেয়ারম্যান। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার (০৫ মে) দুপুর ১টার দিকে ইউএনও আবদুল মোমিন বলেন, চেয়ারম্যান তার লোক দিয়ে বালু উত্তোলন করে ডোবা ভরাট করছেন। এটি বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু তিনি কথা শুনছেন না। বালু উত্তোলনের জন্য কোনো অনুমতি দেয়া হয়নি তাকে।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল বলেন, আমরা ডোবা ভরাট করার জন্য এডিপিতে দরপত্র দিয়েছি। খনন করার জন্য দেয়নি। উপজেলার পুকুর থেকেই বালু উত্তোলন করে পাশের গর্ত ভরাট করছি। এতে বাড়তি কোনো খরচ নেয়া হচ্ছে না।
সরকারি কাজে অন্যস্থান থেকে বালু কিনে আনার প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান সোহেল বলেন, আমরা সরকারি পুকুর থেকে বালু উত্তোলন করে সরকারি জমি ভরাট করছি। ডোবা ভরাট করে আমাদের এক খরচে খননকাজও হয়ে যাচ্ছে।
চেয়ারম্যানের নির্দেশে বালু উত্তোলন করছেন মো. জাফর নামে এক ব্যক্তি। এ ব্যাপারে জাফর বলেন, উপজেলা পরিষদের আবাসিক এলাকার পুকুর থেকে আমরা বালু উত্তোলন কাজ করছি। ডোবাটি ভরাট করতে সাড়ে ৮ হাজার ফুট বালু প্রয়োজন। এজন্য এডিপির দুই লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। চেয়ারম্যান ও ইউএনওর নির্দেশে বালু উত্তোলন করছি।
কাজল কায়েস/এএম/এমএস