দেশজুড়ে

টাঙ্গাইলে ৬০ কি.মি. এলাকায় সাতটি চেকপোস্ট, কমেছে যানবাহন

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার ২০ কিলোমিটার এলাকায় তিনটি ও জেলার ৬০ কিলোমিটার মহাসড়কে সাতটি চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ।

জেলা ও সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের সমন্বয়ে এ চেকপোস্ট বসানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এসব চেকপোস্টে অফিসারসহ ৩৫৯ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন বলে পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানিয়েছেন। জনপ্রতিনিধি, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তা, রোগী, মৃতদেহ বহন করা যানবাহন, প্রয়োজনীয় মালামাল বহনকরা পরিবহন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছাড়া কোনো ব্যক্তি যানবাহনে এসব চেকপোস্ট পার হতে পারছেন না বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।

আসন্ন ঈদ উপলক্ষে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বাড়িফেরা সাধারণ মানুষকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।গত মঙ্গলবার থেকে পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে যাত্রী বহন করা যানবাহন ফেরত পাঠানোয় বৃহস্পতিবার মহাসড়কে যানবাহন চলাচল অনেকটা কমেছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ মহামারি আকার ধারণ করায় পুলিশ সদস্যরা দেশবাসীকে সুরক্ষিত রাখতে ঝুঁকি নিয়ে দিনরাত কাজ করে চলেছেন বলে মির্জাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সায়েদুর রহমান জানিয়েছেন।

এছাড়া মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন উপজেলার সর্বত্র সচেতনতামুলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। তাদের কাজেও পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করছেন বলে জানা গেছে।

মির্জাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সায়েদুর রহমান বলেন, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়ের নির্দেশে জেলার প্রত্যেক থানা, ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশ সদস্যরা করোনাভাইরাস রোধে দেশবাসীকে সুরক্ষিত রাখতে কাজ করে চলেছেন।পুলিশ সদস্যরা দেশবাসীর মঙ্গলে সব সময় ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে থাকেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জাগো নিউজকে বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে মানুষকে সচেতন করতে জেলা পুলিশ কাজ করছে।এজন্য মহাসড়কে পুলিশের নিয়মিত চেকপোস্ট রয়েছে।এছাড়া ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরমুখী মানুষের চাপ ও অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে মহাসড়কের টাঙ্গাইল জেলার ৬০ কিলোমিটার এলাকায় সাতটি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এসব চেকপোস্টে পুলিশের ৩৫৯ জন সদস্য কাজ করছেন বলে তিনি জানান।

এস এম এরশাদ/এমএএস/পিআর