টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় স্বামী-শ্বশুরের নির্যাতন সইতে না পেরে শাহানাজ আক্তার চৈতি (২০) নামে এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
তিন মাসের সন্তান রেখে দুনিয়া ছাড়লেন এই মা। বুধবার (২৭ মে) সকালে স্বামীর বাড়ির ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, প্রায় তিন বছর আগে উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের পাকুল্যা পশ্চিমপাড়া গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে লাভু মিয়া প্রেম করে দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের চৈতিকে বিয়ে করেন।
বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য চৈতিকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন লাভু মিয়া। এতে শ্বশুর ছেলেকে শাসন না করে উল্টো চৈতিকে যৌতুকের জন্য চাপ দেন। স্বামী ও শ্বশুরের দীর্ঘদিনের চাপ সইতে না পেরে বুধবার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন চৈতি।
মির্জাপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান উকিল বলেন, গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। চৈতিকে মাঝেমধ্যে মারপিট করতেন স্বামী। নির্যাতন সইতে না পেরে চৈতি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে চৈতির স্বামী লাভু ও শ্বশুর লাল মিয়া পলাতক রয়েছেন।
এস এম এরশাদ/এএম/এমকেএইচ