আন্তর্জাতিক

ফাইজারের ভ্যাকসিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ মর্যাদা পেল

মার্কিন ফাইজার এবং জার্মান কোম্পানি বায়োএনটেক করোনার সম্ভাব্য যে দুটি ভ্যাকসিন তৈরি করেছে, সেগুলোকে ‘ফাস্ট ট্র্যাক স্ট্যাটাস’ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন। এর মাধ্যমে তাদের ভ্যাকসিন দুটির রেগুলেটরি পর্যালোচনা প্রক্রিয়া দ্রুত করা হবে। সোমবার কোম্পানি দুটি যৌথভাবে এমন কথা জানায়।

করোনার ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক প্রতিযোগিতা চলছে। যে দশটিরও বেশি সম্ভাব্য ভ্যাকসিন মানবেদেহে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না, ব্রিটিশ অ্যাস্ট্রাজেনেকা ছাড়াও অন্যদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার শীর্ষে রয়েছে ফাইজার-বায়োএনটেকের যৌথ উদ্যোগে তৈরি ভ্যাকসিন দুটি।

করোনাভাইরাসের এখনো কোনো কার্যকর ও নিরাপদ ভ্যাকসিন অর্থাৎ টিকা তৈরি হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অনেক দেশ ভ্যাকসিন প্রকল্পে শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। ফলে সবাই চাইছে তাদের তৈরি ভ্যাকসিনটি যেন সবার আগে কার্যকর হয়। আর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ফাইজার-বায়ো এন টেক।

ফাস্ট ট্র্যাক স্ট্যাটাস পাওয়ায় বিএনটি১৬২বি১ ও বিএনটি১৬২বি২ নামে ফাইজার এবং বায়ো এন টেকের ভ্যাকসিন দুটির উন্নতি পর্যালোচনা এখন থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করবে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রাশাসন এফডিএ। এর আওতায় সংস্থাটি ছয় মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনটি বাজারে আনার অনুমোদনের লক্ষ্যে কাজ করবে।

ফাইজার ও বায়োএনটেকের মতো একই প্রযুক্তির মাধ্যমে করোনার সম্ভাব্য ভ্যাকসিন তৈরি করেছে আরেক মার্কিন কোম্পানি মডার্না। অবশ্য গত মে মাসেই তাদেরকে ফাস্ট ট্র্যাক স্ট্যাটাস দেয় যুক্তরাষ্ট্র। রয়টার্স বলছে, গবেষণায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে এমন অন্তত চারটি সম্ভাব্য ভ্যাকসিনে একটি ফাইজার-বায়োএনটেকের।

এসএ