নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে দুই দফায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত মেহেদী হাসানকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
তবে মেহেদীর সহযোগী জাবেদ মোল্লা (৩০) পালিয়ে গেছেন। শনিবার (০৭ নভেম্বর) উপজেলার নবীগঞ্জ বাগবাড়ীস্থ আসমা বেগমের ভাড়াটিয়া বাসায় অভিযান চালিয়ে মেহেদীকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবা।
৫ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টায় বন্দর থানার নবীগঞ্জ বাগবাড়ীস্থ আসমা বেগমের নির্মাণাধীন পাঁচতলা ভবনের তিনতলায় ও ৬ নভেম্বর রাত ২টায় বন্দর থানার নবীগঞ্জ পঁচার মাজারের পূর্বপাশের একটি বাগানে কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়।
গ্রেফতার মেহেদী হাসান ঠাঁকুরগাওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার বসন্তপুর এলাকার মো. আলী মিয়ার ছেলে। তিনি নবীগঞ্জ বাগবাড়ী এলাকার আসমা বেগমের বাড়ির ভাড়াটিয়া।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২৫-৩০ দিন আগে বন্দর থানার নবীগঞ্জ বাগবাড়ি এলাকার মেহেদী হাসান ও তার সহযোগী জাবেদ মোল্লার সঙ্গে ওই কিশোরীর পরিচয় হয়।
পরিচয়ের সূত্র ধরে মেহেদীর সঙ্গে কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ৫ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টায় কিশোরীকে ধর্ষণ করেন মেহেদী। এরপর জাবেদ মোল্লার সহায়তায় ৬ নভেম্বর রাতে কিশোরীকে দ্বিতীয় দফায় ধর্ষণ করেন তিনি।
বন্দর থানা পুলিশের ওসি ফখরুদ্দীন ভূঁইয়া বলেন, কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ধর্ষক মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কিশোরীকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শাহাদাত হোসেন/এএম/জেআইএম