হবিগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে জেলার সকল বাস ও মিনিবাস জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করেন মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ।
রোববার দুপুরে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় গাড়ি রেখে লিখিত আবেদনের মাধ্যমে সেগুলো জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করেন।
এ সময় জেলার অভ্যন্তরীণ সড়কসহ ঢাকা ও সিলেটের সঙ্গে বাস চলাচল বন্ধ থাকে। পরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে দুপুর ২টায় আবার বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, ইতোমধ্যে জেলায় ৫ শতাধিক অবৈধ গাড়ি আটক করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এটি চলমান প্রক্রিয়া।
তিনি অনুরোধ করে জানান, তবে এ নিয়ে যেন কোনো গুজব না ছড়ায়। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।
হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক শংখ শুভ্র রায় জানান, জেলা প্রশাসকের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে দুপুর ২টায় সমস্যা সমাধান হয়। বাস চলাচল ফের স্বাভাবিক করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জেলা প্রশাসক আমাদের জানিয়েছেন অবৈধ গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, নসিমন, করিমন, ইজিবাইকসহ অবৈধ গাড়ি চলাচল বন্ধ করার দাবিতে রোববার সকাল থেকে জেলার অভ্যন্তরীণ সড়কসহ ঢাকা ও সিলেটের সঙ্গে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় পরিবহন মালিক ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।
দুপুরে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে কয়েকটি গাড়ি রেখে লিখিতভাবে গাড়িগুলো জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দেন। পরে তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান। তার আশ্বাসের প্রেক্ষিতে পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ গাড়িগুলো সরিয়ে নিয়ে আবার বাস চলাচল স্বাভাবিক করেন।
আলোচনাকালে উপস্থিত ছিলেন মোটর মালিক গ্রুপের সভাপতি মো. ফজলুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শংখ শুভ্র রায়, পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. সজিব আলী।
সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এফএ/পিআর