গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই দলের অন্তত ৩৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
রোববার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে পৌর শহরে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় বিএনপি প্রার্থীর বসতবাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার জন্য আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের দায়ী করেন বিএনপির মনোনীত মেয়রপ্রার্থী অ্যাডভোকেট কাজী খান।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পরাজয় নিশ্চিত জেনে তার কর্মী-সমর্থকরা আমার লোকদের ওপর হামলা করেছে। বসতবাড়িসহ আমার নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণা থেকে বিরত থাকতে ভয়ভীতি ও হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। হামলায় বিএনপির অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে তিনি জানান।
উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির হিমু বলেন, হামলার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কেউ জড়িত নন। তিনি পাল্টা দাবি করেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা শেষে পৌর শহরে শান্তিপূর্ণ মিছিলে বিএনপি মেয়র প্রার্থী ও তার লোকজন হামলা করলে আওয়ামী লীগের ১৫ নেতাকর্মী আহত হন।
হামলা-সংঘর্ষের খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার আল মামুন ও শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
কালিয়াকৈর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল আল মামুন জানান, হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে পুলিশের উপস্থিতিতে উত্তেজিত নেতাকর্মী-সমর্থকরা দা, লাঠিসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পৌর শহরে মহড়া দেয়। এতে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
শিহাব খান/এসআর/জিকেএস