গালাগালকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় বৃদ্ধা সখিনা বেগম (৭০) ও তার ছেলে আবদুর রহমান মিয়াকে (৩২) পিটিয়ে গুরুতর জখমের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। মারধরের ঘটনায় সখিনা বেগমের পা ভেঙে যায়।
শনিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের ঝিলনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঝিলনা গ্রামের মো. রাজা মিয়ার ছেলে আবদুর রহমানের সঙ্গে প্রতিবেশী আবদুল জলিলের (৫০) জমিজমাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। শনিবার সকালে আবদুর রহমানের মা সখিনা বেগমকে অশালীন ভাষায় গালাগাল করেন আবদুল জলিল।
এ ঘটনার জেরে দুপুরে আবদুর রহমান পাল্টা আবদুল জলিলকে গালাগাল করেন। এতে ক্ষুব্ধ হন আবদুল জলিল। পরে তিনি (আবদুল জলিল) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তার দুই ভাই মো. খলিলুর রহমান (৩৫) ও মো. ফোরকানসহ (৪৫) ছয়-সাত জনের একটি দল আবদুর রহমানকে তার ঘর থেকে টেনে হেঁচড়ে বাইরে নিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করেন।
ছেলেকে বাঁচাতে মা সখিনা বেগম এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদেরকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সন্ধ্যায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক নূপুর আক্তার বলেন, দুজনই গুরুতর আহত হয়েছেন। তদের মধ্যে সখিনা বেগমের বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচের অংশের হাড় ভেঙে বের হয়ে গেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য দুজনকেই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আবদুল জলিল। তিনি দাবি করেন, ওই ঘটনার সঙ্গে তিনি এবং তাদের কোনো লোক জড়িত না।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এসজে/এমকেএইচ