সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি যাওয়ার ৩০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও উদ্ধার হয়নি। এখন পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে শনাক্ত করাও সম্ভব হয়নি।
এই ঘটনায় বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. আবু রায়হান মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
তদন্ত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. ফরিদুল ইসলাম ও শিশু কনসালট্যান্ট ডা. মো. মেহেদী হাসান। তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে এখনও পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ এটা নিয়ে কাজ করছে। এছাড়াও বুধবার সকালে হাসপাতালের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে হাসপাতালে এ ব্যাপারে কোনো অবহেলা নেই বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) স্নিগ্ধা আক্তার বলেন, এটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকেই পুলিশ নবজাতক উদ্ধারে কাজ শুরু করেছে। শিশুটিকে উদ্ধার ও চুরির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যে সিসি টিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। শিগগিরই শিশুটিকে উদ্ধার ও এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চুরি যাওয়া নবজাতকের বাবা চয়ন তালুকদার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ওই হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ঠান্ডাজনিত রোগে ভর্তি হওয়া মাহিম নামে ২৩ দিনের শিশুটি চুরি যায়। শিশুটি উল্লাপাড়া উপজেলার ভাদালিয়া গ্রামের চয়ন ইসলাম ও মনজুয়ারা খাতুন দম্পতির।
ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এআরএ