সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড ও রাজধানীর শেষ প্রান্ত যাত্রাবাড়ী-রায়ের বাগ এলাকায় দূরপাল্লার কোনো বাস চলাচল করতে দেখা না গেলেও ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায়। সেখানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মানুষের ভিড় না থাকলেও বিভিন্ন মোড় থেকে যাত্রী নিয়ে দূরপাল্লার বাস চলতে দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড় ও চিটাগাং রোড বাস স্ট্যান্ডে এ চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কে দূরপাল্লার বাস চলছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামমুখী বাসগুলো চিটাগাং রোড বাস স্ট্যান্ডে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। সেখানে বাসের চালক ও তাদের সহকারীরা ডেকে ডেকে বাসে যাত্রী তুলছেন।
বিনোদন পরিবহনের চালক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘ঈদ আইয়া পড়ছে, বাসার মাইনষের লাইগ্যা কিচ্ছুই কিনতে পারিনি। গাড়ি না চালাইয়া উপায় নাই।’
কুমিল্লার দাউদকান্দির যাত্রীদের ডাকছিলেন নিউ এন্টারপ্রাইজ বাসের হেলপার গণি মিয়া। তিনি বলেন, ‘কাইল ঈদ। এহন পর্যন্ত সেমাইও কিনতে পারি নাই। কি করমু? গাড়ি লইয়া নামছি।’
ঈশিতা পরিবহনের চালক বলেন, ‘আয় রোজগার নাই। কী করমু? পেটের দায়ে গাড়ি লইয়্যা বাইর হইছি।’
তিশা পরিবহনের যাত্রী রফিকুল ইসলাম জানান, ‘যানজটের পাশাপাশি বাস কম থাকায় গতকাল গ্রামে যেতে পারিনি।গতকাল রাত থেকে যানজট কমে গেছে। আজকে ইলিয়টগঞ্জ যাচ্ছি। এক সিটের ভাড়া ৫৫০ টাকা।’
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দূরপাল্লার বাস চলাচলের বিষয়ে জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের টিআই (প্রশাসন) কামরুল ইসলাম বেগ জাগো নিউজকে বলেন, ‘খুব শিগগিরই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
এ বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন , ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলরত দূরপাল্লার বাসগুলোকে মেঘনা সেতুর টোলপ্লাজায় আটকে দিচ্ছে পুলিশ।’
এসকে শাওন/এমএইচআর/এমকেএইচ