প্রবল বর্ষণে ৩১মে একদিনে দুই মাঠে দুটি করে চারটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। আর তাই ২ থেকে ৫ মে বিকেএসপিতে ম্যাচ বন্ধ ছিল। শেরে বাংলায় প্রতিদিন তিনটি করে খেলা আয়োজন করে দুই দিনে এক রাউন্ড শেষ করা সম্ভব হয়েছে। চারদিনে দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাউন্ড শেষ হয়েছে।
সব ঠিক থাকলে কাল ৭ মে থেকে আবার বিকেএসপি এবং শেরে বাংলায় খেলা চালানোর কথা। এদিকে আজকের (রোববার) দিনটি মোটামুটি ভালো কাটলেও বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। খুব ভারি বর্ষণ নয়। টিপটিপ বৃষ্টি হয়েছে অবিরাম। আগামী ২৪ ঘণ্টায়ও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
শেরে বাংলার ড্রেনেজ সিস্টেম ভাল। ভারি বর্ষণের পরও ঘণ্টাখানেক সময় পেলে মাঠ খেলার উপযোগী করে তোলা যায়। বিকেএসপিতে কী তা সম্ভব? বিকেএসপির পানি নিষ্কাসন ব্যবস্থা তো আর এত ভাল এবং আধুনিক নয়। তাই সত্যিই যদি আবার বৃষ্টি হয়, দীর্ঘ সময় প্রবল বর্ষণে মাঠ ঘাট ভিজে একাকার হয়ে যায়- তাহলে কী বিকেএসপিতে খেলা হবে?
প্রথম দিন বিকেএসপির মাঠে পানি জমে যাওয়ার ছবি ভাইরাল হয়েছে। সেই মাঠ কী আর খেলা উপযোগি করে তোলা সম্ভব? আজ সারা রাত বৃষ্টি হলে কী কাল সোমবার যথা সময়ে (সকাল ৯ টায়) খেলা শুরু হবে?
এ প্রশ্ন প্রতিটি ক্রিকেট অনুরাগির। সে কৌতুহলি প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন বিকেএসপি কিউরেটর নুরুজ্জামান নয়ন। রোববার রাতে জাগো নিউজের সাথে আলাপে নয়ন বলেন, ‘আসলে ভারি বর্ষণটাই চিন্তার কারণ। বেশি সময় ধরে ভারি বৃষ্টিপাত চললেই বিপদ। তাহলে আর খেলা আয়োজন সম্ভব নয়। এছাড়া অল্পসল্প বৃষ্টি, মানে হালকা টিপটিপ, ইলশে গুড়ি বর্ষণে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। বৃষ্টি থামলে এক ঘণ্টারও কম সময়ে খেলা শুরু করা সম্ভব।
বিসিবির চুক্তিভিত্তিক কিউরেটর যিনি বর্তমানে বিকেএসপির দুই মাঠের দায়িত্বে আছেন, সেই নুরুজ্জামান নয়ন আরও জানান যে, আজ সারা রাত ধরে ভারি বৃষ্টি চলে আর কাল খেলা হবার সম্ভাবনা খুব কম।
তবে যদি রাতভর হালকা বা ইলশেগুড়ি বৃষ্টি হয়, তারপরও সোমবার সকালে এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় পেলেই নাকি খেলা শুরু করা সম্ভব বলে দাবি কিউরেটন নয়নের।
কিউরেটর নয়ন আরও একটি তথ্য জানিয়েছেন, তা হলো- আজ রাতে তেমন বৃষ্টি না হয়ে যদি কাল ভোরে বা খুব সকালে এক পশলা ভারি বৃষ্টি হলেও হয়ত খেলা সম্ভব। কিন্তু বেশি সময় ধরে ভারি বৃষ্টিপাত হলেই শেষ। তখন খেলা আয়োজনের সম্ভাবনা খুব কম।
এআরবি/আইএইচএস/এমকেএইচ