দেশজুড়ে

গ্রাহকের কোটি টাকা নিয়ে উধাও সেই ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

টাঙ্গাইলের বাসাইলে গ্রাহকের কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সারোয়ার হোসেন সবুজকে পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শনিবার (২৬ জুন) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাসাইল উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কামরান খান বিপুল।

তিনি বলেন, ‘জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে আমরা সবুজকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। তাকে স্থায়ী বহিষ্কারের বিষয়ে আমরা জেলা কমিটিকেও জানিয়েছি।’

উপজেলার ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সবুজের বিরুদ্ধে ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের (কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে ২৪ জুন বিভিন্ন অনলাইন ও পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হয়। সংবাদ প্রচারের পরপরই টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের। শুক্রবার রাতে এক জরুরি সভায় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতির পদ থেকে সবুজকে বহিষ্কার করা হয়। উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়ক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সবুজ ডাচ-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি নষ্ট করার কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

অভিযুক্ত সবুজের চাচাতো ভাই আরিফ সরকার বলেন, ‘গত ১৫ দিন যাবত সবুজ পলাতক রয়েছে। তার কোনো প্রকার খোঁজ আমরা পাচ্ছি না। যে সব গ্রাহকদের টাকা নিয়ে সে পালিয়েছে, পারিবারিকভাবে তাদের টাকা পরিশোধ করা হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, তিন বছর আগে ডাচ-বাংলা কেন্দ্রীয় ব্যাংক উপজেলার আইসড়া বাজারে এজেন্ট ব্যাংকিং বুথ চালু করে। বাসাইলের ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সবুজ ব্যাংকটির এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। গ্রাহকদের কোটি টাকা আত্মসাৎ করে গাঁ ঢাকা দেন।

আরিফ উর রহমান টগর/এসজে/জিকেএস