দেশজুড়ে

পানিতে ডুবে দুই বোনের, লাকড়ি কুড়াতে গিয়ে তাড়া খেয়ে নারীর মৃত্যু

কক্সবাজারে পানিতে ডুবে তিন শিশুসহ চারজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তিন শিশুর মধ্যে দুজন আপন বোন। শনিবার (২৬ জুন) জেলার টেকনাফ, চকরিয়া ও মহেশখালী উপজেলায় পৃথক সময়ে এ ঘটনা ঘটে।

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা রঙিখালীতে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলো-রঙিখালী এলাকার নুরুল কবির মেয়ে কমলা আক্তার (৪) ও জান্নাতুল ফেরদৌস (৮)। জান্নাত রঙিখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার দুপুর ২টার দিকে দুই বোন লামারপাড়ায় খেলছিল। কোনো এক সময় স্থানীয় জনৈক হোছেন আহমদের মাটি বিক্রি করা বড় গর্তে জমা পানিতে পড়ে যায় ছোটবোন কমলা। তাকে তুলতে লাফ দেয় বড়বোন। এরপর দুই বোন একসঙ্গে ডুবে মারা যায়। দীর্ঘসময় তারা বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে গর্ত থেকে দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী দুই বোনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল তদন্ত শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চকরিয়ায় বাড়ির পুকুরের পানিতে ডুবে আনাস মোহাম্মদ (৪) নামের এক শিশু মারা গেছে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ঢেমুশিয়া ইউনিয়নের গান্ধীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। শিশু আনাস ওই এলাকার মাওলানা বেলাল উদ্দিনের ছেলে।

অন্যদিকে, কক্সবাজারের মহেশখালীতে লাকড়ি কুড়াতে গিয়ে বিট কর্মকর্তাদের ধাওয়ায় নদীতে ডুবে খুকি দে (৪৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে এলাকাবাসী। এ ঘটনায় আরও একজনকে মুর্মূষু অবস্থায় উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা।

শনিবার বেলা ১২টার দিকে আদিনাথ জেটি সংলগ্ন প্যারাবনে এ ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া খুকি দে ছোট মহেশখালী ঠাকুরতলা এলাকার বাদল দের স্ত্রী।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাই জানান, পানিতে ডুবে এক নারী মারা গেছেন বলে খবর পেয়েছি। কিন্তু কেন বা কিভাবে পানিতে পড়েছেন সেটা জানা যায়নি।

সায়ীদ আলমগীর/এসআর/জিকেএস