চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আপন হোসেন (২০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মোতালেব রক্তাক্ত জখম হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রোববার (১৫ আগস্ট) রাতে উপজেলার শঙ্করচন্দ্র ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত জামাত আলীকে অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের পশ্চিমপাড়ার জামাত মন্ডলের ছেলে কালাম মন্ডল রাস্তায় বাড়ির টিউবওয়েলের পানি ফেলতেন। ফলে রাস্তা কাদা হয়ে যায়। এ নিয়ে প্রতিবেশী মোতালেব আলির পরিবারের সঙ্গে বিরোধ হয়। রোববার সকালে পানি রাস্তায় ফেলতে আপন নিষেধ করেন। এরই জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আপন ও তার বাবাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।
তাদের স্থানীয়রা উদ্ধারে করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে চিকিৎসা শেষে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়। কিছুক্ষণ পরই তিনি মারা যান।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মাহবুবুর রহমান জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে ভর্তির পর মারা যান আপন। আহত মোতালেবের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ বলেন, নিহতের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ প্রধান অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এখনও কোনো মামলা হয়নি।
সালাউদ্দীন কাজল/এসজে/এমকেএইচ