দেশজুড়ে

১৪৩ বছর পর সান্তাহার জংশনের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ

বাংলাদেশে রেলওয়ের প্রাচীন ও বৃহত্তম জংশন বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার স্টেশন। ১৮৭৮ সালে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এ জংশনে ১৪৩ বছর পর সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু হয়েছে।

Advertisement

সান্তাহার পৌরসভার প্যানেল মেয়র জার্জিস আলম রতন জানান, সীমানা প্রাচীর না থাকায় পকেটমার ও ছিনতাইকারীর উপদ্রবে অতিষ্ঠ যাত্রীরা। পকেট কাটা এবং মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা নিয়মিত ঘটতো। এছাড়া বাইরের ভিক্ষুক ও ছিন্নমূল মানুষ সহজেই প্রবেশ করতো। সীমানা প্রাচীর নির্মাণ হলে যাত্রীরা এসব হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পাবে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ১৮৭৮ সালে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত স্টেশনটি শুধু ব্রডগেজ লাইনে চলাচলের সময় সান্তাহার স্টেশন নামে পরিচিত ছিল। পরে ১৯০০ সালে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার যোগাযোগ সহজ করার লক্ষ্যে পূর্ব দিকে আরও একটি মিটারগেজ রেললাইন নির্মাণ করা হয়। তখন থেকে এটি সান্তাহার জংশনে পরিণত হয়।

ত্রিমুখী রেলের সংযোগস্থল এবং দুই জেলার মোহনায় অবস্থিত স্টেশনটি নানা দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে এ স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩৬টি আন্তঃনগর, মেইল ও সাধারণ ট্রেন চলাচল করে। প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব এলেও আধুনিকতার ছোয়া লাগেনি এ স্টেশনে।

Advertisement

সান্তাহার জংশনের স্টেশনমাস্টার রেজাউল করিম ডালিম বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারাদেশে ৫০টি স্টেশনে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সান্তাহার জংশনও রয়েছে। এটি নির্মাণ হলে স্টেশনটি একদিকে যেমন পরিষ্কার থাকবে অন্যদিকে স্টেশনের আয়ও বাড়বে।

সীমানা প্রাচীর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আনছারী এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার সুলতান মাহমুদ রুবেল বলেন, স্টেশনের দুই পাশে ১৯ হাজার বর্গফুটের সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজ চলছে। পূর্ব দিকে ইটের সীমানা ও পশ্চিমে রেলফেনশিং প্রাচীরের কাজ চলমান। সীমানা প্রাচীরে দুটি প্রবেশদ্বার থাকবে। শিগগির কাজটি সম্পন্ন হবে।

এএইচ/এএসএম

Advertisement