কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আমন মৌসুমে ধান ক্ষেতসহ ফসলের ক্ষতিকর পোকা নিধনে আলোক ফাঁদ প্রযুক্তি ব্যবহারে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।
রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জমিতে ফসলের অনিষ্টকারী শত্রু পোকা যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে বন্ধু পোকাও। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত ও অপরিকল্পিত উপায়ে জমিতে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক প্রয়োগের কারণে এসব বন্ধু পোকা মরে যাচ্ছে। ‘ফসলের বন্ধু’ হিসেবে পরিচিত এসব পোকা রক্ষার লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় সারাদেশের মতো ভৈরব উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের বিভিন্ন বল্কের কৃষকদের আলোক ফাঁদ প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে পরামর্শ ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যার মাধ্যমে আমন ধান ও সবজি খেতের ক্ষতিকর পোকামাকড় দমনে ভূমিকা রাখবে ‘আলোক ফাঁদ’। এটি পরিবেশবান্ধব ও খরচ কম হওয়ায় কৃষকরা এ প্রযুক্তি ব্যবহারে অনেক আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকলিমা বেগম বলেন, আমন মৌসুমে ধানে রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ বেশি হয়। বিশেষ করে ধানের থোড় বের হওয়ার সময় পোকামাকড়ের আক্রমণ বেশি হয়। এ সময়ে ধানে বাদামি ঘাস ফড়িং, সবুজ ঘাস ফড়িং, পাতা মোড়ানো পোকা, গান্ধী পোকা ও মাজরা পোকাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকা আক্রমণ করে। এসব পোকার উপস্থিতি নির্ণয় করতে আমন মাঠে আলোক ফাঁদ ব্যবহার খুবই উপযোগী। এ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ফসলি জমি থেকে ক্ষতিকর পোকা দূর হবে এবং ফসল বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি জানান।
এসআর/জিকেএস