দেশজুড়ে

বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে হার্টে রিং পরানো শুরু

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে হার্টের রোগীদের রিং (স্টেনটিং) পরানো কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে বগুড়াসহ আশপাশের জেলাগুলোর রোগীরা স্বল্প খরচে শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর মীর জামাল উদ্দিন এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। তার নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের টিম বগুড়ায় হার্টে রিং পরানোর কাজ শুরু করেন।

এ সময় শজিমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মহসীন, অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. রেজাউল আলম জুয়েল, কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. শেখ মো. শহিদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ৩১ আগস্ট বগুড়া শহরের ছিলিমপুরে শজিমেক হাসপাতালের উদ্বোধন হয়। এর কয়েক মাস পর ওই হাসপাতালে প্রথমে পরীক্ষামূলক এনজিওগ্রাম চালু হয়। এরপর দীর্ঘদিন ২০১৪ সাল পর্যন্ত এনজিওগ্রাম বন্ধ থাকার পর ২০১৯ সালে নতুন মেশিন স্থাপনের মাধ্যমে ২০২০ সাল থেকে আবারও এনজিওগ্রাম চালু করা হয়।

শজিমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগিতায় হার্টে রিং পরানো কার্যক্রম শুরু হলো। ওই হাসপাতালের ১৩ সদস্যের একটি টিম বগুড়ায় এসেছে। তারাই স্টেনটিং করবেন। এরপর থেকে এখানে সপ্তাহে দুদিন করে রিং পরানো হবে। এতে বগুড়াসহ আশপাশের জেলার হার্টের রোগীরা খুব স্বল্প খরচে এখানে হার্টের চিকিৎসা করাতে পারবেন।

এসজে/জেআইএম