দেশজুড়ে

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চায় নারীর ভূমিকা নিয়ে কাজ করছেন নুসরাত

‘মহান মুক্তিযুদ্ধে নারীরা শুধু সম্ভ্রমহারা বা ধর্ষিত হননি, সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশকে মুক্তও করেন তারা। কিন্তু তাদের সে অবদানের কথা সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়নি।’

কথাগুলো বলছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের তরুণ গবেষক নুসরাত জাহান নিশু। তিনি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ গ্রামের এ এম জসিম উদ্দিনের মেয়ে তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নুসরাত জাহান ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চায় নারীর অবদান’ বিষয়ে গবেষণা শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা বক্তব্য ও বিবৃতিতের শুনে আসছি স্বাধীনতা যুদ্ধে দুই লাখ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে স্বাধীন দেশ পেয়েছি। কিন্তু নারীরা যে যুদ্ধক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রাহক, সেবিকা, চিকিৎসকসহ সম্মুখযুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম করেছেন তার কোনো স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।

সে বিষয়টি গবেষণা তুলে এনে মুক্তিযুদ্ধকালীন নারীর অবদানের বিষয়ে দেশসহ বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিতে চাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নারীর অবদান কোনভাবেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।

নুসরাত জাহান জানান, চলচ্চিত্র নিয়ে গবেষণা করছি। নারীরা কীভাবে সশরীরে ও যুদ্ধের প্রেরণা যুগিয়েছিল। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিনিয়ত কীভাবে সহযোগিতা করেছিলেন তারা।

ইকবাল হোসেন মজনু/আরএইচ/এএসএম