শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ডিএম খালি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে পরাজিত প্রার্থীর পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এতে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।
রোববার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চরচান্দা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজয়ী প্রার্থী ডলি বেগম ও তার কর্মী-সমর্থকদের ওপর এ অভিযোগ উঠেছে।
আহতরা হলেন-প্রার্থী ছালেহা বেগম (৫০), তার স্বামী সফি পাজুরি (৫০), ছেলে তানিম পাজুরি (২৫), তৌহিদ পাজুরি (২২), মেয়ে তন্বী আক্তার (২৬), মেয়েজামাই একরামুল হক মিঠু (২৬)। তাদের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ডিএম খালি ইউনিয়নে ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে সংরক্ষিত নারী মেম্বার পদে নির্বাচত হন ডলি বেগম (তালগাছ)। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ছালেহা বেগম (মাইক)।
আহত ছালেহা বেগম বলেন, ‘আমার প্রতিদ্বন্দ্বী তালগাছ মার্কার ডলি বেগম, তার স্বামী আজাহার মুন্সিসহ সেলিম মুন্সি, দিলু লাকুরিয়া, মানিক, বাচ্চু মুন্সি, শাকিল, ডালিমসহ আরও ১০-১২ জন আমাদের ওপর হামলা চালান। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আমাদের ছয়জনকে আহত করেছেন। মেয়েজামাই একরামুল হক মিঠুর অবস্থা খুবই খারাপ। আমি এ হামলার বিচার চাই।’
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিজয়ী প্রার্থী ডলি বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মো. ছগির হোসেন/এসআর/এমএস