চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পাবনার ১৮টি ইউনিয়নের মাত্র চারটিতে জয় পেয়েছে নৌকা। বাকিগুলোতে বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
রোববার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে পাবনা জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সদর উপজেলার ৯ ইউনিয়নের সবকটিতেই নৌকার প্রার্থীরা হেরেছেন। সদরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী পাঁচজন এবং বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত চার প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
আটঘরিয়া উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের তিনটিতে বিদ্রোহী, স্বতন্ত্র এবং দুটিতে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
ভাঙ্গুড়া উপজেলার চার ইউনিয়নের দুটিতে নৌকার প্রার্থী এবং বাকি দুটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
সদর উপজেলার ৯ ইউনিয়নে বেসরকারিভাবে বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- আতাইকুলা ইউনিয়নের বিএনপি সমর্থিত শওকত হোসেন, হেমায়েতপুর ইউনিয়নের জামায়াতকর্মী জাহাঙ্গীর আলম, দাপুনিয়া ইউনিয়নের বিএনপিকর্মী ওমর ফারুক, সাদুল্লাহপুর ইউনিয়নে বিএনপির নেতা আব্দুল আলিম মোল্লা, মালিগাছা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মন্তাজ আলী, মালঞ্চি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কবির হোসেন কটা বাবু, গয়েশপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোতাহার হোসেন মুতাই, চরতারাপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সিদ্দিকুর রহমান খাঁন, দোগাছি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আলী আহসান।
ভাঙ্গুড়া উপজেলার চার ইউনিয়নে বেসরকারিভাবে বিজয়ী চেয়ারম্যানরা প্রার্থীরা হলেন- পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হেদায়েতুল হক মাস্টার, অষ্টমনিষা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সুলতানা জাহান বকুল, খানমরিচ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোয়ারুল ইসলাম মিঠু, দিলপাশার ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হান্নান।
আটঘরিয়া উপজেলায় বেসরকারিভাবে বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- দেবত্তোর ইউনিয়নে নৌকার মোহাইমেন হোসেন চঞ্চল, চাঁদভা ইউনিয়নে নৌকার ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম কামাল, মাছপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির নেতা ফারুক হোসেন, একদন্ত্র ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী জালাল উদ্দিন সর্দার, লক্ষীপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আব্দুল মালেক সরকার।
আমিন ইসলাম জুয়েল/এসজে/জিকেএস