নোয়াখালীতে বাবুর্চির কক্ষে ‘নারী ধর্ষণের’ অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ট্রাফিক পুলিশের সেই কনস্টেবল মকবুল হোসেনকে (৩২) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার কনস্টেবল মকবুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) মোরতাহিন বিল্লাহকে প্রধান করে তিন সদস্যের বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন হাতে পেলে বিধি মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মিজানুর রহমান পাঠান জাগো নিউজকে বলেন, শনিবার ভিকটিম ২২ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার ডিএনএ পরীক্ষার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
৭ জানুয়ারি নোয়াখালী ট্রাফিক পুলিশের বাবুর্চির কক্ষে এক তরুণীকে (২৩) ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করেন তার মা। ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল মকবুল হোসেনসহ চারজনকে গ্রেফতারের পর ওই মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেফতাররা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার মাদলা গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে ও নোয়াখালী জেলার সদর ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল মকবুল হোসেন (৩২), বেগমগঞ্জ উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের মৃত আমান উল্যার ছেলে সিএনজিচালক মো. কামরুল (২৫), একই উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে নুর হোসেন কালু (৩০) এবং সদর উপজেলার দাদপুর গ্রামের মৃত মফিজ উল্যার ছেলে আবদুল মান্নান (৪৯)।
ইকবাল হোসেন মজনু/এসজে/জেআইএম