বগুড়া জেলা পুলিশে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় বগুড়া সাতমাথায় জেলা পুলিশের আয়োজনে বডি ওর্ন ক্যামেরার উদ্বোধন করেন বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিত করে আধুনিকায়নের কাজ করে যাচ্ছে। এই আধুনিকায়নের একটি অংশ হলো কর্তব্যকালে বডি ওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার। এই বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের ফলে পুলিশি সেবা সচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আওতায় আসবে। জনগণের মাঝে পুলিশের প্রতি আস্থার সৃষ্টি হবে।
জেলা পুলিশ জানায়, বগুড়ায় প্রথমবারের মতো ট্রাফিক বিভাগকে ১০টি ক্যামেরা দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮টি প্রাথমিকভাবে চালু করা হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে থানা-ফাঁড়িতে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের বডি ওর্ন ক্যামেরা দেওয়া হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আলী হায়দার চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আব্দুর রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোতাহার হোসেন, বগুড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাহমুদুল আলম নয়ন, বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম রেজা, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম, সদর ফাঁড়ির ইনচার্জ তাজমিলুর রহমান প্রমুখ।
এর মাধ্যমে কর্তব্যকালে প্রকৃত ঘটনা রেকর্ড এবং সংরক্ষণ হবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কর্তব্যরত অফিসারের সার্বিক কার্যাবলি সম্পর্কে অবগত হতে পারবে। তল্লাশির সময় বাস্তব ঘটনা সংরক্ষণ হয়ে থাকবে প্রয়োজনে পরে দেখা যাবে। পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থার জায়গা তৈরি হবে। বডি ওর্ন ক্যামেরা পুলিশের আধুনিকায়ন পরিস্ফুটিত হবে। আধুনিক জিপিএস সংযুক্তি থাকার কারণে সকল ভিডিও ফুটেজ নির্দিষ্ট সার্ভারে জমা থাকবে। নির্দিষ্ট স্টোরেজে ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণ থাকার কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সহজে পর্যবেক্ষণ করতে পারবে।
বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের ফলে পুলিশিংয়ের ক্ষেত্রে অধিকতর স্বচ্ছতা সুনিশ্চিত হবে। এ ক্যামেরাটি ০৯ ঘণ্টা ভিডিও ধারণ করতে সক্ষম হবে। ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণ থাকার ফলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা সম্ভব হবে। এ বডি ওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে নির্ভুল তদন্ত ও দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের কাজের তদারকি এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অনেক বেশি কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়।
এফএ/এএসএম