দেশজুড়ে

তাড়াশে ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড, বিপর্যস্ত জনজীবন

সিরাজগঞ্জে মধ্যরাত থেকে থেমে থেমে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। বয়ে যাচ্ছে হিমেল বাতাসও। বেড়েছে শীতের তীব্রতা। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ।

শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় জেলার তাড়াশ উপজেলার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ মিলিমিটার। এর আগে ভোর৬ টায় একই জায়গায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ১৭ মিলিমিটার। যা এদিনে দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টিতে খেটে খাওয়া মানুষগুলো চায়ের দোকান রাস্তার মোড়ে মোড়ে অলস সময় পার করছেন। অনেকে বাড়ি থেকেও বের হতে পারেননি। কর্মজীবী মানুষের মধ্যে নেমে এসেছে স্থবিরতা।

শিয়ালকোল ইউনিয়নের বিলধলী গ্রামের রিকশা চালক শহিদ শেখ (৫৫) বলেন, প্রায় ৪০ বছর যাবত রিকশা চালাই। সকাল থেকে দুপুর মাত্র ৩০ টাকা কামই করেছি। বৃষ্টির কারণে শহরে লোকজন নেই। তাই বসে বসে অলস সময় পার করছি।

একই এলাকার সেলুন্দা গ্রামের রিকসা চালক খাদেমুল ইসলাম (৬০) বলেন, সকাল থেকে শহরে যাত্রীর সংখ্যা কম। এ কারণে আমাদের রোজগারও অনেক কম। বৃষ্টির কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। বৃষ্টি না হলে ভালো রোজগার করতে পারি।

শহরের ইজিবাইক চালক কামাল, শাহিন, সোহেলসহ অনেকে বলেন, প্রতিদিন বাজার স্টেশনে যাত্রীর চাপ থাকে। আজ বাজার স্টেশন একঘণ্টা বসে থেকেও যাত্রীর দেখা নেই।

তাড়াশের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহেদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ভোর ৬টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ১৭ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয় তাড়াশে। একই সময় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুপুর ১২ টায় ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে বৃষ্টি কমে মেঘাচ্ছন্ন আকাশ পরিষ্কার হতে পারে। আকাশ পরিষ্কার হলে তাপমাত্রা কমে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। এসজে/এমএস