যশোরে একটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইরুফা সুলতানা। শ্যামলী আক্তার (১৩) নামের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর এ বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল।
রোববার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চৌগাছা উপজেলার বুন্দলীতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শ্যামলী আক্তার ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পাঁচবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, মেয়েটি চৌগাছা উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। তার অমতে উপজেলার বুন্দলীতলা গ্রামের বাবুল মুন্সির বাড়িতে (নানা বাড়ি) নিয়ে এসে বিয়ের আয়োজন করেন অভিভাবকরা। ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর গ্রামে তাকে বিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইরুফা সুলতানা ওই গ্রামের ইউপি মেম্বার হাবিবুর রহমানকে নির্দেশ দেন বিয়েটি বন্ধ করার জন্য। পরে ইউপি মেম্বার হাবিবুর রহমান মেয়ের নানার বাড়ি গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেন।
ইউপি মেম্বার হাবিবুর রহমান বলেন, ইউএনওর নির্দেশ পেয়ে আমি ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি রান্নাবান্নার আয়োজন চলছে। বরপক্ষের লোকজনও সেখানে উপস্থিত আছেন। আমি তাদের বোঝাই যে, এটি বাল্যবিয়ে। এই বিয়ে আইনত অপরাধ। ইউএনওর নির্দেশ পেয়ে আমি এসেছি। পরে উভয়পক্ষ তাদের ভুল বুঝতে পেরে বিয়ে বন্ধ করে দেন এবং বরপক্ষ বাড়ি চলে যায়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইরুফা সুলতানা জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি মেম্বারকে দিয়ে বাল্যবিয়েটি বন্ধ করা হয়েছে।
মিলন রহমান/এসআর/জেআইএম