দিনাজপুরের বিরামপুরে ট্রেনের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে তিন যাত্রী নিহতের ঘটনায় তদন্ত করছে তিন সদস্যের কমিটি। প্রাথমিক তদন্তে প্রাইভেটকারচালকের অদক্ষতা ও খামখেয়ালিপনাকে দায়ী করছে কমিটি।
মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঘোড়াঘাট রেলগুমটিতে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। রেললাইনের গেটকিপার সাইফুজ্জামানসহ স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘটনা সম্পর্কে আলাপ করেন তারা। আগামী সপ্তাহে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেবে এ তদন্ত কমিটি।
২ ফেব্রুয়ারি ভোরে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের ঘোড়াঘাট রেলগুমটিতে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনের সঙ্গে একটি প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হন। নিহত ব্যক্তিরা মধ্যপাড়া পাথরখনিতে কর্মরত ছিলেন। তারা বদরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
এ দুর্ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. বারিউল করিম খানকে আহ্বায়ক এবং (হাকিমপুর-ঘোড়াঘাট) সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শরীফ আল রাজিব ও বাংলাদেশ রেলওয়ে পার্বতীপুর শাখার সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী আবু জাফর মো. রাকিব হাসানকে সদস্য করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির সদস্য হাকিমপুর ঘোড়াঘাট সার্কেলের সিনিয়র পুলিশ সুপার শরীফ আল রাজিব জাগো নিউজকে বলেন, প্রাথমিকভাবে আজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটির চালকের অদক্ষতা ও খামখেয়ালির কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। প্রাইভেটকারে চারজন ছিলেন। তিনজন নিহত হয়েছেন। বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি চালক না যাত্রী তাকে আমরা খুঁজছি। তবে পেলে দুর্ঘটনার আসল তথ্য জানা যাবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত কমিটির পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জেলা প্রশাসকের কাছে দিতে হবে।
বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিমল কুমার সরকার জাগো নিউজকে বলেন, প্রাইভেটকারের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষে তিন ব্যক্তি নিহতের ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি তদন্ত করছে। তারা আগামী সপ্তাহের মধ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেবে। আগামীতে এমন দুর্ঘটনা যেন না ঘটে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। দোষী ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় নেওয়া হবে।
মো. মাহাবুর রহমান/এসজে/এএসএম