কক্সবাজারের চকরিয়ায় পিকআপচাপায় পাঁচ ভাই নিহতের ঘটনায় আটক হওয়া চালক সাহিদুল ইসলাম ওরফে সাইফুলের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রাজীব কুমার দেব তার রিমান্ডের আদেশ দেন।
বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ শাফায়াত হোসেন। তিনি বলেন, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব কুমার দেবের আদালতে পিকআপচালক সাইফুলকে হাজির করা হয়। ঘটনার মূলরহস্য জানতে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল হোসেন। শুনানি শেষে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
এর আগে গত শুক্রবার রাত পৌনে ১টার দিকে ঢাকা মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে পিকআপচালক সাহিদুল ইসলাম ওরফে সাইফুলকে আটক করে র্যাব।
বাবা সুরেশ চন্দ্র শীলের শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে ৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মালুমঘাট এলাকায় গাড়ি চাপায় নিহত হন পাঁচ ভাই। এরা হলেন- ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডস্থ হাসিনা পাড়া এলাকার মৃত সুরেশ চন্দ্র শীলের ছেলে অনুপম শীল (৪৬), নিরুপম শীল (৪০), দীপক শীল (৩৫), চম্পক শীল (৩০) ও স্মরণ শীল (৩৬)। দুর্ঘটনায় আহত হন সুরেশ চন্দ্রের আরও দুই ছেলে ও এক মেয়ে। তারা পৃথক দুটি হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহত রক্তিম শীল জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউতে রয়েছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার জ্ঞান ফেরানোর লক্ষ্যে নিউরো, মেডিসিন, আইসিইউ, অর্থোপেডিক ও রেসপেরিটরি পাঁচটি বিভাগের সমন্বয়ে চিকিৎসাসেবা চালাচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তার ভগ্নিপতি সাংবাদিক খগেশ চন্দ্র। আহত হীরা শীল ডুলাহাজারা মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিস্টান হাসপাতালে তার একটি পা অস্ত্রোপচারের পরে কেবিনে রয়েছেন।
সায়ীদ আলমগীর/এসজে/জিকেএস