অতিরিক্ত চাপ ও ফেরিঘাটে যানবাহন লোড-আনলোডে সময় বেশি লাগার কারণে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ২১ জেলার প্রবেশদ্বার রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া প্রান্তে নদীপারের অপেক্ষায় থাকা পণ্যবাহী ট্রাকের সারি কমতে শুরু করেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ২০টি ফেরি দিয়ে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া প্রান্ত দিয়ে ছোটবড় প্রায় চার হাজার যানবাহন নদী পারাপার হয়েছে বলে জানিয়েছেন দৌলতদিয়া বিআইডব্লিউটিসি ঘাট কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (১৮ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দৌলতদিয়া প্রান্তের প্রায় চার কিলোমিটার সড়কে পণ্যবাহী ট্রাকের সারি থাকলেও দেখা যায়নি যাত্রীবাহী যানবাহনের কোনো সারি।
এদিকে নদীপারের অপেক্ষায় আটকে থেকে গরম আবহাওয়া, খাদ্য, টয়লেটসহ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ট্রাকচালক ও সহকারীরা। এছাড়া ট্রাকচালক ও শ্রমিকদের খরচ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি সময়মতো মালামাল পরিবহন করতে না পেরে লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ট্রাকচালক মো. কাইয়ুম শেখ বলেন, দৌলতদিয়ায় সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নেই। যার কারণে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। নদীপারের অপেক্ষায় খোলা আকাশের নিচে থাকতে হচ্ছে আমাদের। সেখানে খাবার, টয়লেটের ব্যবস্থা নেই।
আরেক চালক মো. হেলাল বলেন, এখানে কোনো সুবিধা নেই, সব জায়গায় অসুবিধা। গতকাল সকালে এসে এখনও ফেরির দেখা পায়নি।
বিআইডব্লিটিসি দৌলতদিয়ার রিভার্স ট্রাফিক অফিসার (আরটিও) রাকিব খান জানান, বর্তমানে এ রুটে ছোটবড় ২০টি ফেরি চলাচল করছে। এরমধ্যে বড় রো রো ফেরি ১০টি, ছোট কে-টাইপ তিনটি ও ইউটিলিটি ছয়টি। স্বাভাবিক সময়ে এ প্রান্ত দিয়ে সাড়ে চার হাজারের বেশি গাড়ি পারাপার হয়। বর্তমানে পন্টুন দিয়ে যানবাহন ওঠানামায় সময় বেশি লাগায় ২৪ ঘণ্টায় তিন হাজার ৯৩৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এরমধ্যে বাস ৭১৩টি, ট্রাক এক হাজার ৪৪৪টি ও ছোট গাড়ি এক হাজার ৭০৬টি।
রুবেলুর রহমান/বিএ/এমএস