পাঁচ দফা দাবিতে কর্মবিরতি শুরু করেছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা।
মঙ্গলবার (৭ জুন) সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে জানিয়েছেন তারা।
এরআগে সর্বশেষ ৩১ মে পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য তিনদিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। স্মরকলিপিতে দাবি আদায় না হলে কঠোর কর্মসূচির বিষয়ে বলা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
দাবিগুলো হচ্ছে পদোন্নতি বোর্ড প্রদান, ফটোকপি মেশিন অপারেটর ও ল্যাব অ্যাটেনডেন্টদের তৃতীয় শ্রেণিতে উন্নীতকরণ, আপগ্রেডেশন নীতিমালা ১ নম্বর গ্রেড ১০২০০ টাকা স্কেল বাতিল করে ১১০০০ টাকায় উন্নীতকরণ ও মাস্টাররোল কর্মচারীদের নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ীকরণ।
চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সভাপতি আমিনুর ইসলাম বলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালায় স্থায়ী পদে চাকরিকাল ছয় বছর পূর্ণ হওয়াসহ শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা কর্মচারীদের পদোন্নতি বোর্ড প্রদানের বিধান রয়েছে। বিধান অনুসারে প্রতি ছয়মাস পরপর আর বছরে দুটি পদোন্নতি বোর্ড দেওয়ার কথাও আছে। তবে প্রায় আড়াই বছর ধরে আমাদের কোনো পদোন্নতি বোর্ড দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়াই শতাধিক চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর মধ্যে প্রায় দেড় শতাধিক কর্মচারী রয়েছেন পদোন্নতি বোর্ড পাওয়ার যোগ্য। এ সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেটি বাস্তবায়ন করছেন না।
এ বিষয়ে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, পদ না থাকলে পদোন্নতি বোর্ড কীভাবে বসাবো? পদ পেলে অবশ্যই পদোন্নতি বোর্ড বসানো হবে। তবে তাদের বেতন স্কেল ১১ হাজার টাকায় উন্নীতকরণের দাবিটি পূরণ করবে ইউজিসি। তবে তাদের বেতন বৃদ্ধির ওই দাবিটি ইউজিসি নাকচ করে দিয়েছে। এ কারণে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা যেসব দাবি নিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন তা পূরণ করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
আরিফ উর রহমান টগর/এসআর/এএসএম