পাট কাটতে গিয়ে ঝড়ের কবলে পড়ে বিলের পানিতে নিখোঁজ মো. শামসু মিয়ার (৫৮) মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। তিনি কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে বাসিন্দা ছিলেন।
শুক্রবার (১৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রসুলপুর গ্রামের বিল থেকে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তার মরদেহ উদ্ধার করে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো জীবিকা নির্বাহের জন্য রসুলপুর গ্রামে আলী আহমদের বিলের জমিতে পাট কাটতে যান শামসু মিয়া, বাবুল মিয়া ও হারুন। তারা পাট কাটা শুরু করলে হঠাৎ ঝড় শুরু হয়। এই ঝড়ের মধ্যই কাজ করেন তারা। একপর্যায়ে ঝড় বেড়ে গেলে তারা পাট কাটা রেখে বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। ওই সময় তারা বিল পাড়ি দিতে সাঁতার দেন। কিন্তু তিনজনের মধ্য দুজন পাড়ে ফিরে দেখেন শামসু মিয়া তাদের সঙ্গে নেই। তাৎক্ষণিক অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মেলেনি। পরর্বতীকালে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ৪০ মিনিট তল্লাশি চালিয়ে নিখোঁজের মরদেহ উদ্ধার করে।
সামসু মিয়ার চাচা তাজুল ইসলাম বলেন, গরিব মানুষ তাই বৃষ্টির দিনেও অন্যের জমিতে কাজ করতে যায় শামসু। কাজ করার সময়ে যখন ঝড় আসে ঠিক সেসময় তিনজন বিলে সাঁতার কেটে বাড়ি ফেরার সময় আমার ভাতিজা শামসু নিখোঁজ হয়।
এ বিষয়ে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মকবুল হোসেন বলেন, বিলের পানিতে পাট কাটা শেষে ফেরার পথে একজন শ্রমিক নিখোঁজের খবর শুনেই তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যায় আমাদের ডুবুরি দল। এরপর ৪০ মিনিট বিলে তল্লাশি চালিয়ে নিখোঁজ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এমআরআর/জিকেএস