জাতীয়

‘বাবা মানে নির্ভরতা’

স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পরও দেশে নারী-পুরুষের মধ্যে যে আইনি বৈষম্য লক্ষণীয় তা দ্রুত সংস্কার করা উচিত বলে মনে করে মেন’স রাইটস ফাউন্ডেশন (এমআরএফ)।

সংগঠনটির উপদেষ্টা, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এইচ এম সোলায়মান চৌধুরী সুজন বলেন, বাবা সন্তানের জন্য বটবৃক্ষের মতো। বাবা মানে নির্ভরতা। সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে মা-বাবা দুজনই সন্তানকে লালন-পালন করে বড় করে তোলেন। কারও দায়িত্ব কারও চেয়ে কম নয়। অথচ স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দি পরও দেশে নারী-পুরুষের মধ্যে আইনি বৈষম্য লক্ষণীয়। এ বৈষম্যের দ্রুত সংস্কার হওয়া উচিত।

রোববার (১৯ জুন) বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিশ্ব বাবা দিবস পালন করে এমআরএফ।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. মাজেদ ইবনে আজাদের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন- সংগঠনের আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তানভীর হায়দার, মোহাম্মদ হানিফ, এম এ সালাম প্রধান, যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন গাজী, সদস্যসচিব মো. ইয়াসিন।

এছাড়াও সদস্যদের মধ্যে ছিলেন- আল বারু মুস্তাকিম নিবিড়, ইমদাদুল হক মিলন, ওবাইদুল্লাহ আল মাহবুব, আব্দুল বাছেদ, অবিভক্ত ঢাকা মহানগর সদস্যসচিব মো. শহিদুল ইসলাম মিরাজ, মেহেদী হাসান ঝিনুক ও গাজীপুর জেলা কমিটির আহ্বায়ক কাউসার আহমেদ রুবেল প্রমুখ।

বিংশ শতাব্দির শুরুর দিকে বাবা দিবস পালনের শুরু। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার দিবসটি পালিত হয়।

ধারণা করা হয়, ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই, আমেরিকার পশ্চিম ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টের একটি গির্জায় প্রথম বাবা দিবস পালিত হয়। ১৯১৩ সালে মার্কিন কংগ্রেসে বাবা দিবসকে ছুটির দিন ঘোষণার জন্য বিল উত্থাপন হয়। ১৯২৪ সালে তৎকালীন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজ বিলটিতে পূর্ণ সমর্থন দেন। দিবসটির তাৎপর্য উপলব্ধি করে ১৯৬৬ সালে দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসন জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাবা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। ছয় বছর পর ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এটিকে আইনে পরিণত করে প্রতিবছর জাতীয়ভাবে দিবসটি পালনের রীতি চালু করেন।

এমআইএস/এসএএইচ/এমকেআর/জিকেএস