সিরাজগঞ্জে এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে ১০০ টাক হয়েছে। এছাড়া পেঁয়াজের কেজিতে বেড়েছে ১৫ টাকা, রসুনের ২০ টাকা, আলুর ৫ টাকা।
শনিবার (২ জুলাই) সকালে সিরাজগঞ্জের বড়বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমনটা জানা যায়।
বাজার করতে আসা রবিউল আলম বলেন, ‘কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ, রসুনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। এসব পণ্য আমাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হবে।’
আরেক ক্রেতা ইব্রাহীম হোসেন বলেন, ‘করোনা, বন্যা, বৃষ্টিসহ নানা অজুহাতে আদা, রসুন, পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। ফলে দিন এনে দিন খাওয়া মানুষের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে।’
বেলকুচি উপজেলা মুকুন্দগাঁতি বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী আশরাফুল আলম বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে আমরা কাঁচামরিচ বিক্রি করেছি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি। আজ সেই মরিচ বিক্রি করতে হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বাড়ায় বিপাকে ক্রেতারা। এছাড়া সবজিসহ পেঁয়াজ, আদা, রসুন, আলু ডাল এবং শুকনো মরিচের দামও বেড়েছে।’
কাঁচামালের পাইকারি আড়তদার আব্দুল মান্নান বলেন, বর্তমানের কাঁচামরিচের দাম বেড়েছে। এর সঙ্গে পেঁয়াজ, রসুন, আদাসহ অন্য কাঁচামালের দামও বেড়েছে। কাঁচামালের দাম ওঠানামা করে আমদানি রপ্তানির ওপর।
এদিকে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি জাগো নিউজকে বলেন, জেলা শহরসহ উপজেলা পর্যায়ে বাজার মনিটরিং করছি। ঈদকে পুঁজি করে কোনো অসাধু ব্যবসায়ী গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত মুনাফা হাতিয়ে নিতে না পারে সে দিকে খেয়াল রেখে কাজ করছি। এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এসজে/এএসএম