নোয়াখালী শহরে নীরব চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ করেছেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) একরামুল করিম চৌধুরী। সদর এলাকায় মাদকদ্রব্যও ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ এমপির।
বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) সকালে নোয়াখালী প্রেস ক্লাব আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন এমপি একরামুল করিম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক (ডিসি) দেওয়ান মাহবুবুর রহমান ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম।
একরাম চৌধুরী বলেন, “এখানে (নোয়াখালী শহর) কেউ ঘর উঠাতে পারে না। কেউ বাড়িঘর উঠাতে গেলেই চাঁদাবাজদের টাকা দিতে হয়। এদের লাগাম টেনে ধরতে হবে। আমি ওসি সাহেবকে বলেছি এবং আপনাদের (পুলিশ প্রশাসন) নিশ্চয়তা দিচ্ছি ‘নো বডি টাচ ইউ’ (কেউ আপনাদের ক্ষতি করবে না)।”
এ সময় সুধারাম থানার ওসিকে ইঙ্গিত করে এমপি বলেন, ‘আপনি ধরেন। কে কোন দলের লোক সেটা আমার ব্যাপার। কিন্তু চাঁদাবাজি হতে পারবে না। এই যে বাজিকর বাড়ি (মাইজদী বাজার), এখানে দুনিয়ার আকাম (খারাপ কাজ) হয়। এখানে ২০-২৫ জন ছেলে আছে যারা সারাক্ষণ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আপনারা কঠোর হোন। মেয়েরা সন্ধ্যার পর চলাচল করতে পারে না। এসব রিপোর্ট আমার কাছে এলে আমি এমপি হিসেবে লজ্জাবোধ করি।’
জানতে চাইলে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘স্যার (এমপি একরামুল করিম চৌধুরী) আমাকে গতকাল বলেছেন। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’
নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, চাঁদাবাজি বা চাঁদা দাবির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
ইকবাল হোসেন মজনু/এসআর/জেআইএম