দেশজুড়ে

কক্সবাজারকে পর্যটকবান্ধব করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের ১০ পরিকল্পনা

কক্সবাজারকে পর্যটকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে ১০টি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বিপদাপন্ন পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ‘সি সেফ লাইফ গার্ড’ সদস্যদের ফোল্ডেবল স্ট্রেচার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ কথা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি মো. জিল্লুর রহমান বলেন, পর্যটনের উন্নয়নে সবার পজিটিভ মানসিকতা লালন করা উচিত। পর্যটনের ক্ষতি মানে সবার ক্ষতি। ট্যুরিস্ট পুলিশ ও ট্যুরিজম খাতে জড়িত সবার সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা কাজ করছি।

আইনগত কঠোরতার বিধি ও নিজেদের সক্ষমতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশের একটি ইউনিট। ট্যুরিস্ট পুলিশের সব সদস্য বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক নিয়োগকৃত। বাংলাদেশ পুলিশ যেসব কাজ করে, ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যরাও সেসব কাজ করতে পারবে। কেউ অপরাধ করে পার পাবে না।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের নেওয়া পরিকল্পনা হলো-

১. পর্যটন সম্পর্কিত সব সেবা একই ওয়েব পোর্টালে প্রকাশ করা২. অটোরিকশা চালকদের আলাদা পোশাক, আইডিকার্ড ও ভাড়া নির্ধারণ করে পর্যটক বান্ধব করা৩. হোটেল-মোটেল জোনে স্থানীয় কিশোরদের প্রবেশ সীমিত করা৪. পর্যটন সম্পর্কিত সব স্টেকহোল্ডারদের আইডিকার্ড ব্যবহার নিশ্চিত করা৫. বাসসহ সব পরিবহনে পর্যটক সচেতনতায় স্টিকার লাগানো৬. সব স্টেকহোল্ডারদের ডাটাবেজের আওতায় আনা৭. আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা৮. বিচে হারানো ও দলছুট শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র স্থাপন৯. ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপন১০. ফটোগ্রাফার/অটোচালক/কিটকট বয়দের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া।

ধীরে ধীরে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম।

সায়ীদ আলমগীর/এমআরআর/জেআইএম