খালেদা জিয়ার বক্তব্য আর ছাত্রদল ও যুবদল ক্যাডাদের বক্তব্যের মধ্যে কোনো ফারাক নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং সাবেক মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে কবি ও সাংবাদিক ত্রিদিব দস্তিদারের দশম মৃতুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গীবাদ, সাম্প্রদায়িক রাজনীতির উত্থান, খালেদা-তারেকের ষড়যন্ত্র’ শীর্ষক বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, কুমিল্লার জনসভায় খালেদা জিয়া বলেছেন, আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি নয়। অথচ তার স্বামী জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগ সরকারের কর্মচারি ছিলেন। একদিন হয়তো খালেদা বলবেন, জামায়াতই প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধের দল। তার পক্ষে সেটা বলাও যে অসম্ভব নয়, দেশবাসী আজ তা বুঝে গেছে।যুদ্ধাপরাধীর গাড়িতে পতাকার ব্যবহার নিয়ে ত্রিদিবের চরম আপত্তি ছিলো উল্লেখ করে সাবেক পরিবেশ ও বন মন্ত্রী বলেন, আজ ত্রিদিব দস্তিদার বেঁচে থাকলে খুবই খুশি হতেন। কারণ শেখ হাসিনার সরকার খালেদার মতো যুদ্ধপরাধীর গাড়িতে জাতীয় পতাকা ওড়াতে দেননি। বরং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সম্মুখীন করেছে।অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন, কবি ত্রিদিব দস্তিদার শুধু কবিই ছিলেন না তিনি একজন কমিটেড প্রগতিশীল সক্রিয় সাংস্কৃতিক কর্মী ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে প্রতিটি গণতান্ত্রিক, সাংস্কৃতিক আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি একজন প্রাণোচ্ছল, যৌবনদীপ্ত কবি ছিলেন । অজাত শত্রু এই কবি অসাম্প্রদায়িকতার এক লড়াকু সৈনিকও ছিলেন।বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোবারক আলী শিকদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তৃতা রাখেন- জোটের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এটিএম শামসুজ্জামান, আওয়ালীগ নেতা সুজিত রায় নন্দী, এডভোকেট বলরাম পোদ্দার, শাহে আলম মুরাদ, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, জোটের নেতা কবি সাংবাদিক নাসির আহমেদ, কণ্ঠশিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, কৃষক লীগের সহ-সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।