দেশজুড়ে

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের মামলায় খালাস পেলেন মাদরাসার ২ শিক্ষক

কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুরের মামলা থেকে দুই মাদরাসা শিক্ষককে খালাস দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ আবু তাহের এ আদেশ দেন।

তারা হলেন- ইউসুফ আলী (২৮) ও আল আমিনকে (২৮)। ইউসুফ আলী পাবনার দিয়াড় বামুন্দি গ্রামের আজিজুল মণ্ডলের ছেলে ও আল আমিন কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ধুবইল গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। তারা কুষ্টিয়া শহরের জুগিয়া এলাকার ইবনে মাসউদ মাদরাসার শিক্ষক।

আরও পড়ুন: রাতের আঁধারে বঙ্গবন্ধুর নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙল দুর্বৃত্তরা 

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী জানান, আদালত দুই আসামির অপরাধ সংগঠনের সম্পৃক্ততা না পেয়ে তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। এ ঘটনায় মিঠুন (২০) ও নাহিদ (২১) নামের দুই আসামি কারাগারে রয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০২১ সালের ৪ ডিসেম্বর রাতে কুষ্টিয়া শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুর করা হয়। পরদিন কুষ্টিয়া পৌরসভার সচিব কামাল উদ্দিন বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করেন। এ ঘটনায় চার জনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে দুই ছাত্রের পাঁচদিন ও দুই শিক্ষকের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। চারজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিশিকান্ত সরকার আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর : রিমান্ডে গ্রেফতার চারজন 

ওই রাতে বঙ্গবন্ধুর নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুরে অংশ নেয় দুই ব্যক্তি। ঘটনাস্থলের পাশের একটি সিসিটিভি ফুটেজে এ ঘটনা ধরা পড়ে। রাত ২টার পর দুজন পিঠে ব্যাগ নিয়ে এসে মই দিয়ে ওপরে ওঠে। এরপর ব্যাগ থেকে হাতুড়ি বের করে ভাস্কর্য ভেঙে নিরাপদে চলে যান। এ ঘটনার পর থেকে কয়েকদিন কুষ্টিয়া শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ, মিছিল ও মানববন্ধন করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা।

আল-মামুন সাগর/আরএইচ/জিকেএস