কাঁচাবাজারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। তারা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। স্বল্প আয়ের মানুষের হাসি-কান্না অনেকটাই নির্ভর করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যের উপর। মূল্য কম থাকলে অথবা নিয়ন্ত্রণে থাকলে পেটভরে দু-মুঠো খাওয়া যায়। দ্রব্যমূল্য লাগামছাড়া হলে অনেক সময়ই না খেয়ে কাটাতে হয় স্বল্প আয়ের মানুষদের।
রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (বাংলাদেশ ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।
তারা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির ফলে দেশে এমন এক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে যে, সাধারণ মানুষ প্রশ্ন করতেও সাহস পাচ্ছে না। গরিব মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা। বলা চলে দেশে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে।
আরও পড়ুন: আবারও বাড়লো এলপিজির দাম
‘শুধু খাবার নয়, ওষুধের দামও এখন সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। অর্থাৎ যে ওষুধটির দাম আগে ৫ টাকা ছিল, এখন তা ৭ থেকে ৮ টাকা। ধনীরা সকালে ও রাতে সাধারণত ভাত খায় না। রুটিসহ অন্যান্য খাবার খায়। কাজেই চালের দাম বৃদ্ধি পেলে তাদের কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা হলো গরিব মানুষের। আর বাজার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে সরকারের ব্যর্থনীতির কারণেই।’
তারা আরও বলেন, নিত্যপণ্যের মূল্য পাগলা ঘোড়ার মতো চলতে শুরু করার কারণেই সমাজে অরাজকতা সৃষ্টি হচ্ছে। সব ক্ষেত্রেই লুটপাট চলছে। এটি বন্ধ করতে হবে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতির চাপে দিশেহারা মানুষ খাদ্যতালিকা থেকে পুষ্টিকর খাবার বাদ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ পুষ্টিহীনতার শিকার হতে বাধ্য।
আরও পড়ুন: সংসার খরচের হিসাব মেলে না ইউনুস আলীর
ভবিষ্যতে পণ্যের বিশ্ববাজার পরিস্থিতি যতই স্বাভাবিক হয়ে আসুক না কেন, দেশে উৎপাদন যতই বৃদ্ধি পাক না কেন, বাজার তদারকি সংস্থাগুলোর তৎপরতা না থাকলে ভোক্তাদের দুর্বিষহ কষ্টের অবসান হবে না বলে মন্তব্য করেন তারা।
কেএইচ/এমএইচআর/জেআইএম