বিপিএলের নবম আসরের ফাইনালে হোম অব ক্রিকেটে বাঁধভাঙা জোয়ারের মত দর্শকের ঢল। ফাইনাল শুরুর ঠিক সাড়ে তিন ঘণ্টা আগে বেলা ৩টায় দেশবরেণ্য রকস্টার জেমস, ব্যান্ড ওয়ারফেইজ আর ঢাকার মাকসুদের কনসার্ট দেখতে চারিদিক থেকে দর্শক আসতে থাকেন।
অন্য সব ম্যাচে খেলা শুরুর এক ঘণ্টা পরে শেরে বাংলা স্টেডিয়াম মুখরিত হতো দর্শক কলতানে। কিন্তু ফাইনাল বলে কথা! জেমসের বিখ্যাত ও অতি জনপ্রিয় ‘না জানে কই ক্যায়সে হায় ইয়ে জিন্দেগী’ গান দিয়ে কনসার্ট শেষ হওয়ার আগেই শেরে বাংলার প্রায় ৬০-৭০ ভাগ ভরে ওঠে দর্শকে।
তখনও ঘড়িতে সময় বিকেল সাড়ে ৫টা বাজেনি। সন্ধ্যা ৬টায় সিলেট স্ট্রাইকার্স অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা আর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স অধিনায়ক ইমরুল কায়েস যখন টস করতে মাঠের মাঝখানে এসে দাঁড়ালেন, তখনই স্টেডিয়াম দর্শকে ঠাসা।
টসের পরও ঢুকেছেন কেউ কেউ। তবে তাদের বেশিরভাগই আর জায়গা পাননি। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে খেলা দেখতে হচ্ছে তাদের। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় খেলা শুরুর আগেই ২৫ হাজার দর্শক আসন বিশিষ্ট স্টেডিয়াম শেরে বাংলা ভরে গেলো কানায় কানায়।
প্রেস বক্সে সাংবাদিকদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য। সিনিয়র সাংবাদিকদের কাছে জিজ্ঞাসা, ভাই কত হবে দর্শক? আলাপ আলোচনার পর সাব্যস্ত হলো দর্শক ২৩ থেকে ২৪ হাজারের কম হবে না।
বলার অপেক্ষা রাখে না, দর্শকের বড় অংশ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সমর্থক। ‘কুমিল্লা, কুমিল্লা ’ ধ্বনিটা অনেক জোরেসোরেই শোনা গেল বারবার। সিলেট সাপোর্টারও কম না। দেশ বরেণ্য ও দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সফলতম অধিনায়ক মাশরাফির ভক্তরাও যে আজকের ফাইনালে সিলেট সমর্থক।
এআরবি/এমএমআর/জেআইএম