যশোর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতির বিরুদ্ধে জমি নিয়ে বিরোধে বাবা-ছেলেকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের শটগান দিয়ে তাদের পেটানো হয় বলে অভিযোগ।
সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার হামিদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন ওই এলাকার বাসিন্দা এবিএম জাফরী (৩৮) ও তার বাবা আসাদুজ্জামান (৬৫)। তাদের যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত জাফরী অভিযোগ করে বলেন, হামিদপুর গ্রামের হারেজ ফকিরের বাড়ির সামনে ৩০ বছর আগে তার বাবা শিল্প ব্যাংক থেকে ১০ একর জমি কেনেন। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি ও তার বাবা ওই জমিতে কলাগাছ রোপণ করতে যান। জমিতে কলাগাছ রোপণ করার সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলনের নেতৃত্বে ১২-১৫ জন সন্ত্রাসী চাইনিজ কুড়াল ও শটগান নিয়ে উপস্থিত হন। শহিদুল ইসলাম ওই জমি তার বেয়াইয়ের দাবি করে দখলের চেষ্টা করেন। এসময় দুপক্ষের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে শহিদুল ইসলামের লোকজন জাফরী ও তার বাবার ওপর শটগান দিয়ে হামলা চালান। জাফরীর মাথায় শটগানের আঘাত লাগে। পরে গ্রামবাসী ধাওয়া দিলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। আহত বাবা ও ছেলেকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তবে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন। তিনি বলেন, ‘এখন তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। হামলার ঘটনায় যদি আমি জড়িত থাকি তাহলে তারা ডকুমেন্ট দেখাক; ছবি দেখাক।’
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম বলেন, হামিদপুরে একটি মারামারির ঘটনা শুনেছি। তবে কোনো পক্ষ থেকে আমাদের কাছে অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মিলন রহমান/এসআর/এমএস