দেশজুড়ে

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজট

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সাত থেকে আট কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন ঈদে ঘরমুখো হাজার হাজার মানুষ।

বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে মৌচাক পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত এ যানজট অব্যাহত ছিল।

এর আগে দুপুরের পর গাজীপুরের কোনাবাড়ী, কাশিমপুর, টঙ্গী, গাজীপুর চৌরাস্তাসহ আশপাশ এলাকার সব কলকারখানা ও পোশাক কারখানার শ্রমিকদের ছুটি হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে চন্দ্রা পার হতে অনেকের দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লেগেছে বলে জানিয়েছেন যাতায়াতকারী কয়েকজন।

গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস থেকে রংপুরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন পোশাকশ্রমিক আলিফ হোসেন। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আমি রাত সাড়ে সাতটায় বাসে উঠলেও সাড়ে নয়টা পর্যন্ত চন্দ্রা মোড় এলাকা পার হতে পারিনি। কোনাবাড়ি, মৌচাক, শফিপুর এবং পল্লী বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন স্থানে বিপুলসংখ্যক মানুষ রাস্তার পাশে যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছেন। রাস্তায় বাসের পাশাপাশি ট্রাক ও পিকআপভ্যানে করে ঘরে ফিরছেন মানুষ।

শ্যামলী পরিবহনের সুপারভাইজার বাচ্চু মিয়া বলেন, নবীনগর থেকে চন্দ্রা এবং গাজীপুর থেকে চন্দ্রা এ দুই সড়কের গাড়ি চন্দ্রা মোড়ে গিয়ে আটকে যাচ্ছে। যে কারণে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। চন্দ্র হতে নবীনগরের দিকে জিরানী পর্যন্ত সড়কেও রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার যানজট লেগে আছে।

কোনাবাড়ি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, সড়কে গণপরিবহনের তুলনায় যাত্রী সংখ্যা বেশি। তাই কোনাবাড়ি থেকে কালিয়াকৈর চন্দ্রা মোড় পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীরা যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছেন। অপরদিকে, নবীনগর থেকে চন্দ্রগামী সড়কেও যানজট লেগে আছে। হাইওয়ে পুলিশ যানবাহনগুলোকে দ্রুত টাঙ্গাইলের দিকে পার করে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

তবে, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে টঙ্গী থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত যানজট সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আলমগীর হোসেন।

আমিনুল ইসলাম/এমএএইচ/