সাহিত্য

বিপুল চন্দ্র রায়ের বসন্তের তিনটি ছড়া

বসন্তের চিঠি

ফাগুন এলো বনে বনেলাল শিমুলের মেলা,কৃষ্ণচূড়া হাসছে দেখোকরছে রঙের খেলা।

বনের ধারে পলাশ জাগেকোকিল গায় গান,কুহু তানে ভরিয়ে তোলেসবার ব্যাকুল প্রাণ।

রঙের নেশায় মাতল ভুবনসাজল নতুন বেশে,বসন্ত আজ রাজার মতোফিরল আপন দেশে।

ফাগুন মানেই খুশির জোয়াররং বাহারে ভরা,রঙিন চিঠির সোহাগ পেয়েহাসছে আবার ধরা।

****

বসন্ত উৎসব

মৌমাছিরা গুনগুনিয়েখুঁজছে ফুলের মধু,প্রকৃতি আজ সেজেছেনতুন বরণ বধূ।

গাছে গাছে কচি পাতানতুন সাজে হাসে,মিষ্টি সুরে কোকিল ডাকেফাগুন মাসের আশে।

পলাশ-শিমুল রাঙা বেশেবন-পাহাড়ে ফোটে,মাঘের শেষে বসন্ত যেনতুন ছন্দে আসে।

বাসন্তী আর হলুদ রঙেসেজেছে সব লোক,আনন্দে আজ মেতে উঠুকসবার দুটি চোখ।

****

বসন্ত এলো ফিরে

শিমুল-পলাশ হাসল রাশিরঙিন হলো বন,ফাগুন হাওয়ায় দুলছে আজসবার খুশি মন।

বউ কথা কও ডাকছে দূরেকোকিল গায় গান,নতুন পাতার সবুজ সাজেজুড়ায় সবার প্রাণ।

হলুদ গাঁদা ছড়ায় হাসিমাঠের পরে মাঠ,বসন্ত যে এলো রে ভাই,জমছে খুশির হাট।

শীতের চাদর সরিয়ে দিয়েজমছে মেলা আজ,প্রকৃতি মা সেজেছে যেবসন্তেরই সাজ।

এসইউ