সুপার লিগের প্রথম খেলায় গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের কাছে শোচনীয় হারের পর ঘুরে দাঁড়ালো শেখ জামাল। আজ বৃহস্পতিবার বিকেএসপি তিন নম্বর মাঠে মোহামেডানকে বৃষ্টি আইন ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ৮৫ রানে হারিয়ে আবার জয়ের ধারায় নুরুল হাসান সোহানের দল।
শেখ জামাল ইনিংসের একদম শেষ দিকে বৃষ্টি চলে আসায় ম্যাচের দৈর্ঘ্য ৫০ থেকে কমে ৪৭ ওভার হয়। ওই ৪৭ ওভারে শেখ জামালের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ২৫৯। ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে মোহামেডানকে টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয় ২৭৭।
ওয়ান ডাউন ফজলে মাহমুদ রাব্বি সর্বাধিক ৮৬ বলে ৫ ছক্কা ও ৬ বাউন্ডারিতে ৯৩ রান করে শেখ জামালকে আড়াইশোর ঘরে পৌঁছে দেন। এছাড়া অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানও ছয় থেকে চার নম্বরে উঠে এসে ৬০ বলে চার ছক্কা ও তিন চারে ৭০ রানের ঝোড়ো ইনিংস উপহার দিয়ে দলের স্কোরবোর্ডকে মোটাতাজা করতে রাখেন কার্যকর অবদান। এর বাইরে ওপেনার সৈকত আলীর ব্যাট থেকে আসে আরেকটি হাফসেঞ্চুরি (৭০ বলে ৫০)।
মোহামেডানের একজন বোলারও শেখ জামাল ব্যাটারদের হাত খুলে খেলা থেকে বিরত রাখতে পারেননি। একঝাঁক ফর্মহীন ব্যাটারের দল মোহামেডানের পক্ষে অত রান করা সম্ভব হয়নিও। আগের খেলাগুলোয় যে দুইজন বেশি রান করেছেন, সেই অধিনায়ক ইমরুল কায়েস আর উইকেটকিপার মাহিদুল ইসলাম অংকন বড় ইনিংস খেলতে না পারায় মোহামেডান মুখ থুবড়ে পড়ে। ১৯১ রানে ইনিংস গুটিয়ে যায়। সর্বাধিক ৪০ রান আসে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যাট থেকে।
অধিনায়ক ইমরুল কায়েসের সংগ্রহ ছিল ৩৩। শেষ দিকে আরিফুল হক ঝড়ের গতিতে ১৩ বলে ৩ ছক্কায় ৩২ রান করে মাঠ গরম করেন শুধু। তাতে মোহামেডানের কোনো লাভ হয়নি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর শেখ জামাল: ৪৭ ওভারে ২৫৯/৪ (সাইফ হাসান ২৫, সৈকত আলী ৫০, ফজলে মাহমুদ রাব্বি ৯৩, নুরুল হাসান সোহান ৭০; কামিন্দু মেন্ডিস ২/৪৫, সৌম্য সরকার ১/৪৪) মোহামেডান: ৪০.৫ ওভারে ১৯১/১০ (ইমরুল কায়েস ৩৩, আরিফুল ইসলাম ০, মাহিদুল অংকন ১৬, সৌম্য সরকার ২২, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৪০, শুভাগত হোম ০, কামিন্দু মেন্ডিস ১৬, আরিফুল ৩২; তাইবুর রহমান ৪/২৪, আরিফ ৩/৪৫, পারভেজ রসুল ২/২৫, শহিদুল ১/৯)
ফল: শেখ জামাল ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ৮৫ রানে জয়ী।
এআরবি/এমএমআর/জেআইএম