বোলার সাইফ হাসান জোরালো আবেদন করলেন। তার বল গ্লাভসে নিয়ে চেঁচিয়ে উঠলেন শেখ জামাল অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান।
কিন্তু আম্পায়ার আলী আরমান রাজন নিরব। বোলার, উইকেটকিপার এবং ফিল্ডার সবাই সমস্বরে উপর্যপরি আবেদন করেই যাচ্ছেন; কিন্তু আম্পায়ার রাজন তবুও চুপ।
এদিকে শেখ জামাল ফিল্ডাররা তখনো আবেদন করেই যাচ্ছেন। কিন্তু মনে হলনা আম্পায়ার তাদের সে আবেদনে সাড়া দেবেন। তার নীরবতায় পরিবেশ উত্তপ্ত হওয়ার উপক্রম হয়েছিল।
কিন্তু পরিস্থিতির ইতিবাচক সমাধান দিলেন প্রাইম ব্যাংক ব্যাটার প্রান্তিক নওরোজ নাবিল। তিনি ঠিকই বুছেছেন, বল ব্যাটে লেগেই শেখ জামাল উইকেটরক্ষক সোহানের গ্লাভসে জমা পড়েছে। মানে আমি আউট।
সেটা অনুভব করে নিজেই উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে আসলেন প্রান্তিক নওরোজ। হাঁটা দিলেন ড্রেসিং রুমের দিকে। এবং সবচেয়ে মজার ঘটনা হলো ব্যাটার ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর আম্পায়ার আলী আরমান রাজন আঙ্গুল তুলে জানালেন ‘দ্যাটস আউট।’
বিষয়টা চোখে লাগলো। এত জোরালো আবেদন, তাতে সাড়া না দিয়ে দীর্ঘ সময় নিরব থাকা এবং লেগ আম্পায়ারেরর সাথে কথা না বলে নিজের জায়গায় স্থির দাঁড়িয়ে থেকে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে রীতিমত সমালোচিত হলেন আলী আরমান রাজন।
এবারের প্রিমিয়ার লিগে এমনিতেই আম্পায়ারিং নিয়ে নানা তীর্যক কথাবার্তা ও সমালোচনা। তার মাঝে যুক্ত হলো আজ রোববার শেরে বাংলায় ঘটে যাওয়া ঘটনা।
শেখ জামাল আর প্রাইম ব্যাংক ম্যাচে ব্যাটার পপিং ক্রিজ ছেড়ে স্বেচ্ছায় নিজেকে আউট ধরে বেরিয়ে যাওয়ার পরও আম্পায়ার আলী আরমান রাজনের আউট না দিয়ে নিরব থাকায় প্রশ্নের জন্ম হলো। ক্লোজ ম্যাচে ব্যাটার প্রান্তিক নওরোজ বুঝলেন আমি কট বিহাইন্ড। তাই ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে হাঁটা দিলেন সাজঘরে। অথচ আম্পায়ার তখনও ছিলেন নীরব!
এআরবি/আইএইচএস/