দেশজুড়ে

কুড়িগ্রামে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার পাশে দাঁড়ালেন জেলা প্রশাসক

‘বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু পথযাত্রী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেককে (৬৫) বাড়িতে দেখতে গিয়ে নগদ অর্থ প্রদানসহ চিকিৎসার ভার গ্রহণের কথা জানান কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন, কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. মো. জয়নাল আবেদীন, নাগেশ্বরী উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার আবু রায়হান দোলন, ডা. শাকিলুর রহমান, ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেকের বাড়িতে তাকে দেখতে যান। এসময় জেলা প্রশাসক অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হাবিজন বেগমের হাতে নগদ ১০ হাজার টাকা তুলে দেন। এছাড়াও অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা আাব্দুল মালেককে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে উন্নত চিকিৎসা করার যাবতীয় ব্যয়ভার গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে এসএমজি হাতে রণাঙ্গনের অকুতো ভয় লড়াকু বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক বিনা চিকিৎসায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। আব্দুল মালেকের মুক্তিবার্তা নম্বর-০৩১৬০৬০২৭২। গেজেট নম্বর-২৩২৫। কল্যান ট্রাষ্ট নং ৩৯৪৮৭ এবং মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সাময়িক সনদ পত্র নং ৬৬৮৭১ এবং স্বারক নং কুড়িগ্রাম-৪৩-১৪৮৪।মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেকের স্ত্রী হাবিজন বেগম বলেন, জেলা প্রশাসক বাড়িতে এসে আমার অসুস্থ স্বামীকে দেখেন এবং নগদ ১০ হাজার টাকা আমার হাতে তুলে দেন। এতদিন টাকার অভাবে স্বামীর চিকিৎসা করতে পারি নাই। এখন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে এ জন্য ডিসি স্যার ও সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। বুধবার স্বামীকে নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার কথা জানান তিনি।হৃদরোগে আক্রান্ত আব্দুল মালেকের দীর্ঘ মেয়াদী চিকিৎসা দরকার। হাবিজন বেগম আরো বলেন, অভাবের সংসার। প্রতি মাসে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ৮ হাজার টাকা পাই। ৭ জনের সংসারে ভোরণ পোষণ দিতে চলে যায়। তাই দিয়ে অতি কষ্টে সংসার চালাই। জমি জমা বলতে শুধু ৪ শতাংশ ভিটাবাড়ি ছাড়া আর কিছু নেই। নাজমুল হোসেন/ এমএএস/পিআর