খেলাধুলা

তবু নিজের ও দলের পারফরম্যান্সে খুশি সোহান

রাউন্ড রবিন লিগে তার ব্যাট কথা বলেনি। দুটি চল্লিশোর্ধ্ব (৪৪ আর ৪৯) ইনিংসের বাইরে একটিমাত্র ফিফটিসহ করেছিলেন ২২৯ রান। কিন্তু সুপার লিগে এসে নিজেকে খুঁজে পেয়েছেন নুরুল হাসান সোহান। এ পর্বে পাঁচ খেলায় সোহানের ব্যাটে ছিল রানের ফলগুধারা। সুপার লিগে ৫ খেলার চারটিতে ফিফটিসহ (৮, ৭০, ৫৩, ৬২ ও ৮৯*) মোট ২৮২ রান করেছেন শেখ জামাল অধিনায়ক। আজ শনিবার এবারের লিগে নিজের সেরা ব্যাটিংটা করেছেন সোহান।

আজকের ম্যাচে দল জেতাতে না পারলেও শেখ জামালকে লড়াকু পুঁজি গড়ে দিয়েছিলেন সোহান। ১৬ রানে ৩ টপ অর্ডার সাইফ হাসান, সৈকত আলী আর রবিউল ইসলাম আউট হওয়ার পর মনে হচ্ছিল শেখ জামালের স্কোরলাইন বড় হবে না।

ফজলে মাহমুদ রাব্বি আর তাইবুর পারভেজ শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে দিলেও শেষ পর্যন্ত শেখ জামাল ২৮০‘র ঘরে (২৮২) পৌঁছে সোহানের ৭০ বলে ৮৯ হাত ধরে। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি।

স্বাভাবিকভাবেই শেখ জামাল অধিনায়ক সোহান বেশ হতাশ। তিনি বলেন, ‘আসলে ২৮৩ রান করার পরও হয়নি। তবে আমরা আমাদের শতভাগ চেষ্টা করেছি।’

চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও তার মূল্যায়ন, ‘শেখ জামাল ভালোই খেলেছে। আলহামদুলিল্লাহ দলের সবাই অনেক বেশি পরিশ্রম করেছে। আমার মনে হয় যে ভালো একটা টুর্নামেন্ট খেলেছি। আমরা দল হিসেবেও ভালো খেলেছি।’

সকালের সেশনে খুব অল্প সময় ও কম সংগ্রহে ৩ উইকেট পড়ার পরও শেখ জামালের ড্রেসিংরুমে হতাশা জেঁকে বসেনি, এমনটা জানিয়ে সোহান বলেন, ‘দ্রুত উইকেট পড়ার পরও আমাদের ড্রেসিংরুমে কথা হচ্ছিল যে, আমরা বড় স্কোর করতে পারব। আলহামদুলিল্লাহ রান হয়েছে।’

তারপরও জিততে পারলেন না কেন? সোহানের ধারণা, মাঝখানে আবাহনীর আরও কিছু উইকেটের পতন ঘটাতে পারলে তার দলের সম্ভাবনা থাকতো। শেখ জামাল অধিনায়ক বলেন, ‘আমার মনে হয়, যদি আমরা মিডল ওভারে আরো কিছু উইকেট আমরা বের করতে পারতাম, পাওয়ার প্লেতে মিডল ওভারে, তাহলে আমাদের জন্য আরো সহজ হয়ে যেতো।’

এআরবি/এমএমআর/জিকেএস