দেশজুড়ে

৩০ মণের ‘হিরো আলম’ বিক্রি হবে ২৫ লাখে

সিদ্ধিরগঞ্জে জমে উঠেছে কোরবানির পশুরহাট। ঢাকেশ্বরী ইব্রাহিম টেক্সটাইল বালুর মাঠসহ উপজেলার বিভিন্ন হাটে খামারিরা কোরবানির পশু নিয়ে আসছেন।

ইব্রাহিম টেক্সটাইল বালুর মাঠে ‘হিরো আলম’ নামের ৩০ মণের একটি গরু নিয়ে নিয়মিত হইচই শুরু হয়েছে। গরুটি একপলক দেখতে প্রতিদিন ক্রেতা-দর্শনার্থীরা হাটে ভিড় করছেন। ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করছেন কেউ কেউ। অস্ট্রেলিয়ান ক্রস জাতের গরুটির দাম হাঁকা হচ্ছে ২৫ লাখ টাকা। গরুটি লম্বায় সাড়ে ১০ ফুট উচ্চতায় ৬ ফুট। কালো-সাদা রঙ্গের হিরো আলমের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রয়েছে খৈল, ভুসি, সবুজ ঘাস।

নামকরণের বিষয়ে গরুর মালিক কাউসার রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হিরো আলমের ভক্ত। তাই আমার প্রিয় গরুটির নাম হিরো আলম রেখেছি। চার বছর ধরে এ গরুটি লালনপালন করেছি। গরুটি দৈনিক ১২০০-১৫০০ টাকার খাবার খেয়ে থাকে।

আরও পড়ুন: কুরবানির পশু জবাই করার নিয়ম-পদ্ধতি ও দোয়া

তিনি বলেন, প্রথম থেকে ক্রেতাদের ভালো সাড়া পাচ্ছি। আশা করছি ভালো দামেই গরুটি বিক্রি করতে পারবো। এখন পর্যন্ত হিরো আলমের সর্বোচ্চ দাম ১৩ লাখ টাকা উঠেছে। আরেকটু দাম পেলেই গরুটি বিক্রি করে দিবো।

হাটের ইজারাদার বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম জানান, দূর-দূরান্ত থেকে আমাদের হাটে প্রায় ৪ হাজার কোরবানির পশু এসেছে। তবে এবার হাটের ইজারাদার পেতে দেরি হওয়ায় আমাদের হাটটিতে কোরবানির পশুর সংখ্যা এবার কিছুটা কম। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের আগেই সব গরু বিক্রি হয়ে যাবে। ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে বিক্রেতারা তাদের পালিত গরুগুলোর নানা আকর্ষণীয় নাম দিচ্ছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বাসনা আক্তার জানান, এবার জেলায় এক লাখ পশু কোরবানির সম্ভাবনা রয়েছে। এখানে চাহিদার তুলনায় বেশি গরু কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এবার উপজেলার ৯টি পশুর হাটের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে প্রত্যেকটি হাটেরই খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে।

RIRরাশেদুল ইসলাম রাজু/আর/এমএস