জমে উঠেছে নারায়ণগঞ্জের কোরবানির পশুর হাট। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হাটগুলোতে গরু নিয়ে এসেছেন খামারিরা। এদিকে জেলার প্রতিটি হাটে ভেটেরিনারি টিম কাজ করছে।
স্থানীয়রা জানায়, এবার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ডিআইটি হাট মাতাচ্ছে ‘কালো মানিক’, ‘রাজা’, ‘বাদশা’ ও ‘মনি’। এ কালো মানিক, রাজা, বাদশা ও মনিকে কেন্দ্র করে চারপাশ উৎসুক মানুষ ভিড় করছে। এদের মধ্যে কালো মানিককে আনা হয়েছে চাঁদপুর থেকে। রাজা, বাদশা ও মনি এসেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে।
রাজা, বাদশা ও মনির বিক্রেতা শাহরিয়ার সজল বলেন, ছোট থেকে তিনটা গুরু লালনপালন করেছি। শখ করে তাদের নাম রেখেছি রাজা, বাদশা ও মনি। এ তিনটি গরুই আমি ৩ বছর ধরে লালন পালন করেছি। হলস্টাইন ফ্রিজিয়ান জাতের ২২ মণের রাজার দাম ধরা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। একই জাতের ২০ মণের বাদশার দাম ধরা হয়েছে ৮ লাখ টাকা এবং ফ্রিজিয়ান ক্রস জাতের ৭ মণের মনির দাম ধরা হয়েছে ৮ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন: ৩০ মণের ‘হিরো আলম’ বিক্রি হবে ২৫ লাখে
তিনি আরও বলেন, একদিন হয়েছে আমরা তাদের হাটে তুলেছি। আমার জানামতে এ হাটের আকর্ষণীয় গরু হচ্ছে আমাদের রাজা, বাদশা ও মনি। তাদের অনেক শখ করে লালনপালন করেছি।
কালো মানিকের বিক্রেতা আলম বলেন, ছোট থেকে দানাদার খাবার খাইয়ে এ গরুটি লালন পালন করেছি। গরুটি জাতে শাহিয়ার ক্রস। চার বছর ধরে তাকে লালন পালন করেছি। নাম রেখেছি কালো মানিক। ওজনে ৩২ মণ দাম ধরা হয়েছে ২৫ লাখ টাকা। এ হাটের সবচেয়ে বড় গরু কালো মানিক।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বাসনা আখতার জাগো নিউজকে বলেন, নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি হাটেই আমাদের ভেটেরিনারি টিম রয়েছে। সেই সঙ্গে কোরবানির জন্য এবার পর্যাপ্ত পরিমাণে কোরবানির পশু রয়েছে। পাশাপাশি অ্যাগ্রো ফার্মগুলোর পশু বিক্রির ক্ষেত্রে তাদের যা সহায়তা দরকার তা আমরা করছি।
মোবাশ্বির শ্রাবণ/আরএইচ/জেআইএম