যশোরের অভয়নগরে পল্লী বিদ্যুতের এক গ্রাহকের পরিশোধ করা বিদ্যুৎ বিলের ১০০ ইউনিট তার নতুন বিলে যুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১ আগস্ট) নতুন বিল হাতে পেয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন ওই নারী গ্রাহক নুরুন্নাহার। তিনি উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামের প্রফেসরপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল গফ্ফার বিশ্বাসের স্ত্রী।
ভুক্তভোগী কয়েকজন গ্রাহকের অভিযোগ, যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২, নওয়াপাড়া জোনাল অফিসের বিভ্রান্তিকর বিদ্যুৎ বিল সাধারণ গ্রাহককে প্রতিনিয়ত বিড়ম্বনায় ফেলছে। পূর্বের মিটার রিডিং কমিয়ে তারা নতুন বিলে অতিরিক্ত ইউনিট যুক্ত করছে। ফলে সাধারণ গ্রাহক তার পূর্বের বিল না দেখে নতুন বিল পরিশোধ করে প্রতারণার শিকার হচ্ছে। এছাড়া বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানে না গিয়ে তারা অফিসে বসে রিডিং নির্ধারণ করছেন।
এর আগে অভয়নগরের ডহরমশিয়াহাটি কৃষক খোকন মন্ডলের জুন মাসের বিল ২ লাখ ৬ হাজার ৯৭৬ টাকা করা হয়েছিল। তার মে মাসে বিল ছিল ২৩০ টাকা। অভিযোগের পর বিলটি সংশোধন করে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।
নুরুন্নাহার জানান, মে মাসের বিদ্যুৎ বিলে রিডিং ছিল ৩১ হাজার ৪৫ ইউনিট। জুন মাসের বিলে মিটার রিডিং ছিল ৩১ হাজার ৪১৫ ইউনিট। ব্যবহৃত ৩৭০ ইউনিটের বিল তিনি পরিশোধ করেছেন। পরবর্তীতে জুলাই মাসের নতুন বিলে পূর্ববর্তী জুন মাসের মিটার রিডিং দেখানো হয়েছে ৩১ হাজার ৩১৫ ইউনিট।
তিনি আরও জানান, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ৩১ হাজার ৪১৫ ইউনিটের স্থলে ৩১ হাজার ৩১৫ ইউনিট দেখিয়ে আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০০ ইউনিটের টাকা আদায়ের চেষ্টা করছে।
এ বিষয়ে যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর নওয়াপাড়া জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আব্দুল্লাহ আল মামুন জাগো নিউজকে বলেন, বিল না দেখে কিছু বলা যাবে না। ভুক্তভোগী গ্রাহক তার বিল নিয়ে অফিসে এলে সমস্যার সমাধান হবে।
মিলন রহমান/এসজে/জিকেএস